চিকিৎসকসহ দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

চমেক হাসপাতালের লিফটে ওঠা নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড মারধরের শিকার ব্যক্তির জামিন

আজাদী প্রতিবেদন | বুধবার , ৬ জুলাই, ২০২২ at ৭:২৪ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের লিফটে ওঠাকে কেন্দ্র করে এক রোগীর স্বজনকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক চিকিৎসকসহ দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন বিবি আয়েশা নামে এক নারী। তারা হলেন অর্থো সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মিজানুর রহমান ও লিফট অপারেটর মো. রাজু। গতকাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার জাহানের আদালতে ওই নারী মামলাটি করেন। তিনি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি থানার সাতঘাটিয়া এলাকার রেজাউল ইসলামের স্ত্রী।

বাদীর আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে আজাদীকে বলেন, আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে ঘটনার সময় মারধরের শিকার হয়ে গ্রেপ্তার বিবি আয়েশার স্বামী রেজাউল ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেছেন আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমান। ঘটনার দিন মারধর করে রেজাউলকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, মামলার বাদী বিবি আয়েশার ননদ অন্তঃসত্ত্বা। তিনি চমেক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ৩ জুলাই তাকে দেখতে যান তিনি। এ সময় স্বামী রেজাউল, গৃহকর্মীসহ আরো কয়েকজন তার সাথে ছিলেন। একসময় তারা লিফটে ওঠার চেষ্টা করলে লিফট অপারেটর বলেন, এটা চিকিৎসকদের লিফট, এতে ওঠা যাবে না। অথচ ওই সময় লিফটে অনেক সাধারণ মানুষ ছিলেন। বিষয়টি লিফটম্যানকে বলার পর লিফটম্যান বাদীর স্বামী রেজাউল ইসলামকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এর প্রতিবাদ করলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই চিকিৎসক মিজানুর রহমানসহ অপর একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ভুক্তভোগীকে টেনে হিঁচড়ে লিফটের ভিতরে নিয়ে যান এবং মারধর করেন। পরে ভুক্তভোগী প্রতিবাদ করলে চিকিৎসকের নির্দেশে লিফটম্যান ও অজ্ঞাত ১০/১২ জন মিলে জোরপূর্বক বাদীসহ ভুক্তভোগী ও তার স্বজনদের টেনে হিঁচড়ে চমেক হাসপাতালের ৫ম তলার ৩২ নম্বর কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে দ্বিতীয় দফায় রেজাউলকে মারধর করা হয়। তাকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে বাদী বিবি আয়েশাকে শ্লীলতাহানি করা হয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধক্যাবল ‘অত্যন্ত নিম্নমানের’ বৈদ্যুতিক পোলেও সমস্যা
পরবর্তী নিবন্ধদুই আরএনবি সদস্য সাময়িক বরখাস্ত মামলা হয়নি