আনোয়ারার বৈরাগ ইউনিয়নে অবস্থিত চায়না ইকোনমিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে ডাকাতি ও মালামাল লুটের ঘটনায় পুলিশ ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ–৩ এর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হেলাল হোসেন (২৯), সালাহউদ্দীন (৩৩), মো. রবিউল হোসেন প্রকাশ সোহেল (৩০), মো. এসকান্দার প্রকাশ মদন (৪৫)। অভিযানকালে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানায়। পুলিশ জানায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি আনোয়ারার বৈরাগ ইউনিয়নে অবস্থিত চায়না ইকোনমিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১৫–২০ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল আগ্নেয়াস্ত্র, রামদা, চুরি ও লোহার রড নিয়ে জোনের পশ্চিম পাশের সীমানা প্রাচীরবিহীন অংশ দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে। এ সময় দায়িত্বরত সিকিউরিটি গার্ডদের দেশীয় অস্ত্র ঠেকিয়ে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে প্রত্যেককে পেছন থেকে বেঁধে ফেলে। পরে সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে জোন কম্পাউন্ডে রক্ষিত ও কন্টেইনারের ভেতরে রক্ষিত যন্ত্রপাতি ডাকাতি করে নিয়ে যায়।
ঘটনারপর চায়নাজোন কর্তৃপক্ষের স্টোর ম্যানেজার ওয়েন জিইয়ং বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫–২০ জনের বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানার মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের এসআই সুব্রত কুমার ঘোষ গত শুক্রবার হেলাল হোসেন নামের স্থানীয় এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেন। তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. সালাহউদ্দীন, মো. রবিউল হোসেন প্রকাশ সোহেল, মো. এসকান্দার প্রকাশ মদনকে গ্রেপ্তারের পর ধৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়। চট্টগ্রাম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ–৩ পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানায়।












