কম খরচের তাল মিলিয়ে গড়তে হয় নানা অনুষঙ্গ। বিশ্বায়নের এই সমৃদ্ধ পাঠ পঠনে জীবনের তাল ঠিক রাখা দুরূহ। তবে এই দুর্ভেদ্য সময়ে চসিক একই কাজের দুই দুইবার কর নেওয়ার নিয়ম নীতি মাথা ঢুকছে না। পরিচ্ছন্নতার বিল কি দুইবার হয়? চসিক প্রতি বর্ষে প্রতি ঘরে করের বিল পাঠিয়ে কর আদায় করেন। এলাকাবাসি তা অফিসে প্রদান করেন। দুর্ভাগ্য কাট্টলীবাসীর। দুর্ভাগ্য চসিক নিয়ন্ত্রণে জনতার। চসিক কর সংগ্রহের কালেক্টর এই নিয়ে এলাকা চষে বেড়ান। চসিক খেয়াল খুশী মতো সমস্যা সমাধানে পদ সম্পন্ন না করে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বাড়ার প্রচেষ্টারত। চসিক তার পরিচ্ছন্ন লোক দিয়ে সয়ে কয়ে কাজ করান। সমপ্রতি মাথার উপর চাপ বাড়িয়ে নতুন ঠিকাদার দিয়ে রোড টু রোড ভ্যান করে নানা প্রতিকূলতা সৃষ্টি করে জনতার জনরোষে পড়েন।
চসিক সব নিয়মের কর্মকাণ্ড সঠিক রেখে কেন নাগরিকের ওপর টাকার অঙ্ক দিয়ে মিছে কষ্ট দিচ্ছেন? আমাদের সদয় অনুরোধ এসব অসঙ্গতি দূর করে পূর্বের অবস্থা ফিরিয়ে আনুন।
বর্তমান মেয়র একজন মানবিক মানুষ। বর্তমান এই কার্যক্রম এলাকাবাসীর কাছে গলার কাঁটা হয়ে আছে। যারা এই টাকা সংগ্রহে ঘরে ঘরে গিয়ে নানা বাজে কথা বলেন, কটূক্তি করেন তাদের এই চাঁদাবাজি থেকে রেহায় পেতে এমন কর্মকাণ্ড বাতিল করেন জনতার সমর্থন অর্জনে মানবিক মেয়রের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ আশা করছি।
সাহাদাত হোসাইন সাহেদ
উত্তর কাট্টলী, চট্টগ্রাম












