চবির শহীদ ফরহাদ হোসেন হলের বর্ধিত ভবন উদ্বোধন

| বৃহস্পতিবার , ৯ এপ্রিল, ২০২৬ at ৮:০১ পূর্বাহ্ণ

চবি শহীদ ফরহাদ হোসেন হলের বর্ধিত ভবনের উদ্বোধন গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্‌ফোরকান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপউপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন।

প্রধান অতিথি বলেন, আবাসন সমস্যা আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা। এর মূল কারণ হলো গত ৯ বছরে কোনো ধরনের ডিপিপি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেনি। এজন্য কোনো বড় আবাসিক হল বা ভবন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পায়নি। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরেই ডিপিপি পাঠিয়েছি। সেটার অনুমোদন পাশ হলে আবাসন সমস্যার সমাধান হবে। এছাড়া বিদ্যমান আবাসন ব্যবস্থার মধ্যে আমরা কিভাবে সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়া যায়, সেই ব্যাপারে কাজ করছি। হলে হলে ইন্টারনেট সেবা বৃদ্ধির বিষয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। সেটাও অতি শীঘ্রই সমাধান হবে।

বিশেষ অতিথি বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল এ বর্ধিত ভবনটা শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করার জন্য। অবশেষে সেটি পূরণ হলো। এখানে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুযোগসুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এসময় বরাদ্দপ্রাপ্তদের হলের কক্ষের চাবি তুলে দেন উপাচার্য, উপউপাচার্য (প্রশাসন) ও অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, চাকসু ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শহীদ ফরহাদ হোসেন হল সংসদের ভিপি শরীফুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. এইচ এস ফারুক আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হল সংসদের জিএস মাসউদুর রহমান ফাহাদ। এরপর উপাচার্য প্রফেসর ড. আল্‌ফোরকান অতিথিবৃন্দকে সাথে নিয়ে হলের কক্ষসমূহ পরিদর্শন করেন এবং হল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মু. জাফর উল্লাহ তালুকদার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টবৃন্দ, প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, ছাত্রছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, চাকসু জিএস সাঈদ বিন হাবিব, চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক, চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক মো. ইসহাক ভুঁঞা, সহযোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক ওবায়দুল সালমান প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।২

পূর্ববর্তী নিবন্ধবর্ষার পূর্বে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প শেষ করে নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘব করুন
পরবর্তী নিবন্ধনতুন প্রজন্মের মেধা বিকাশে ছড়া ও সাহিত্যের ভূমিকা অপরিসীম