চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইন বিভাগের আয়োজনে ‘ইন্টারসেক্টিং লিগ্যাল রেজিমস অ্যান্ড রিফিউজি প্রোটেকশন: এ সাউথ এশিয়ান পারসপেক্টিভ’ শীর্ষক এক সেমিনার গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১০টায় আইন অনুষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্–ফোরকান। দিনব্যাপী আয়োজিত এই সেমিনারে দক্ষিণ এশিয়ার শরণার্থী সমস্যার আইনি জটিলতা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও স্থানীয় বাস্তবতার সমন্বয় নিয়ে আলোকপাত করা হয়। উচ্চশিক্ষা মানোন্নয়ন প্রকল্পের (ঐঊঅঞ) সহযোগিতায় আয়োজিত হয় এ সেমিনার। চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্–ফোরকান আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। উপাচার্য বলেন, রোহিঙ্গাদের নিয়ে কথা বলার জন্য আজকের টপিকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চরম অত্যাচার–নির্যাতনের মুখে লাখো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আমরা তাদের রোহিঙ্গা বলে জানলেও তারা কিন্তু আমাদের দেশে শরণার্থী হিসেবে রয়েছে। রোহিঙ্গাদের কিভাবে আন্তর্জাতিক আইনে সুরক্ষা দেওয়া যায়, আশা করি আজকের সেমিনারে আলোচনা হবে। উপাচার্য বলেন, রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন নিয়ে ভাবতে হবে। প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশু বর্তমানে আমাদের জন্য ‘পটেনশিয়াল থ্রেট’ এ পরিণত হয়েছে। আজকের সেমিনারে আলোচনার মধ্য দিয়ে আশা করি অনেক সমস্যার সমাধান বেরিয়ে আসবে। উপাচার্য অংশগ্রহণকারী, আগত অতিথিসহ সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
সেমিনারে বক্তা হিসেবে ছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. রিজওয়ানুল ইসলাম ও ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ারউইক ল স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইমন ব্যাহরম্যান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মু. জাফর উল্লাহ তালুকদার। বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. নাসির উদ্দিন, প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক, প্রফেসর ড. আসমা বিনতে শফিক এবং সহকারী অধ্যাপক সাখাওয়াত সাজ্জাত সেজান। চবি আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. রকিব নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের প্রভাষক রাশফিয়াতুর রাশপি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।














