চন্দনাইশে কর্নেল অলির আগমন ঘিরে বিএনপির বিক্ষোভ

৭২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্য প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম

চন্দনাইশ প্রতিনিধি | মঙ্গলবার , ৭ এপ্রিল, ২০২৬ at ৬:০৭ পূর্বাহ্ণ

চন্দনাইশে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপির) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অবঃ) অলি আহমদ বীর বিক্রমের আগমনকে কেন্দ্র করে আবারো বিক্ষোভ করেছে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। গতকাল বিকেলে চট্টগ্রামকক্সবাজার মহাসড়কের উপজেলার গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট চত্বরে বিএনপি নেতা এম এ হাশেম রাজুর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপির) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অবঃ) অলি আহমদ বীর বিক্রম গতকাল চন্দনাইশে তার গ্রামের বাড়িতে আসেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে চন্দনাইশ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভ সমাবেশে বিএনপি নেতা এম এ হাশেম রাজু প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কটুক্তি এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক করে কর্নেল অলি বিভিন্ন সময় যেসব বক্তব্য দিয়েছেন তা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করে জাতির কাছে ক্ষমা না চাইলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তিনি কখন কোথায় কটুক্তি ও ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্য দিয়েছেন তা আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। তিনি বলেন, কর্নেল অলি গত ৫ এপ্রিল আসার কথা ছিল, আমরা সারাদিন পাহারায় ছিলাম। কিন্তু তিনি ওইদিন না এসে ৬ এপ্রিল চুপিসারে নিজ বাড়িতে প্রবেশ করেন।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সওদাগরের সভাপতিত্বে এবং পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোরশেদুল আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা নওশা মিয়া, নুর মোহাম্মদ, তছলিম উদ্দীন, আইনুল হুদা, সেলিম উদ্দীন, যুবদল নেতা সিরাজুল ইসলাম, ইফতেখার উদ্দীন সুমন, নেছার উদ্দীন, ভিপি আবদুর রউফ, শহিদুল ইসলাম, সাবেক ছাত্র নেতা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ব্যাপারে চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াছ খাঁন সাংবাদিকদের জানান, . কর্নেল (অবঃ) অলি আহমদ বাড়িতে আসার বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং তার আগমনের খবরে বিএনপি নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করলেও কোন ধরনের বিশৃঙ্খল ঘটনা ঘটেনি। এলাকার পরিবেশ শান্ত আছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধশীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা সংসদে
পরবর্তী নিবন্ধ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য সরকারের