দৈনিক আজাদীর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবদুল খালেকের ৬১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল নগরীর প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে ‘মোহাম্মদ আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ার, দৈনিক আজাদী এবং গণতন্ত্র’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সংস্থার সভাপতি সাংবাদিক এস এম জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে মুখ্য আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক সদস্য মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, দৈনিক নয়াবাংলার সম্পাদক জেড এম এনায়েত উল্লাহ হিরু, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এএসএম বজলুর রশিদ মিন্টু, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, একটা সময় ছিল বাঙালি মুসলমান সমাজ শিক্ষা দীক্ষা এবং জ্ঞান চর্চা থেকে অনেকটা বিচ্যুত ছিল। আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ার আজাদী পত্রিকার মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে চমৎকার একটা দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। আমরা জানি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হলে অনেকে জাতীয় পত্রিকা হয়ে যায়। তবে আজাদীর সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ের সকল বুদ্ধিজীবী এবং সিভিল সোসাইটি সবার সম্পৃক্ততা ছিল। আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ার সাহস নিয়ে প্রকাশনা জগতে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। সেটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বজায় রয়েছে। বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামের সংবাদপত্র শিল্প, মুদ্রণ ও প্রকাশনা জগতে মোহাম্মদ আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ারের অবদান ঐতিহাসিক। তিনি চট্টগ্রামের সাংবাদিকতার ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছেন। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, সর্বোপরি ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং গণতন্ত্রের পথকে সুগম করতে তার প্রতিষ্ঠিত দৈনিক আজাদী অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে।











