খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধি দেয়া হয় লালদীঘি ময়দানে

প্রথম চট্টগ্রাম আসেন ১৯৮৪ সালে, সর্বশেষ ২০১৭ সালে চট্টগ্রামবাসীর প্রতি টান ছিল, উন্নয়নে রাখেন অবদান

মোরশেদ তালুকদার | বুধবার , ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ at ৫:২৩ পূর্বাহ্ণ

স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নানা স্মৃতি আছে চট্টগ্রামে। তাই বারবার ‘আপসহীন নেত্রী’ বেগম খালেদা জিয়াও ছুটে আসতেন চট্টগ্রাম। ভালোবাসতেন চট্টগ্রামবাসীকে। তাদের দুর্যোগেদুঃসময়ে দাঁড়াতেন পাশে। ভূমিকা রেখেছেন চট্টগ্রামের উন্নয়নে। চট্টগ্রামকে ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ ঘোষণায়ও রাখেন ভূমিকা। চট্টগ্রামবাসীও তাদের ভালোবাসার প্রতিদান দিয়েছেন নানাভাবে। যখনই বার আউলিয়ার পুণ্যভূমিতে পা রেখেছেন, চট্টগ্রামবাসী উচ্ছ্বাস নিয়ে বরণ করেছেন তাঁকে। তাঁর ‘দেশনেত্রী’ উপাধিও দেয়া হয় চট্টগ্রামের লালদীঘির ময়দানের সমাবেশ থেকে। বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, দলের দায়িত্ব নেয়ার পর ১৯৮৪ সালে প্রথম চট্টগ্রাম আসেন বেগম জিয়া। এরপর ১৯৮৫ সালে মুসলিম হলে প্রথম কোনো সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তিনি। এরপর লালদীঘি, পলোগ্রাউন্ড মাঠ, আউটার স্টেডিয়ামে জনসমাবেশে বক্তব্য রাখেন একাধিকবার। বিভিন্ন সময়ে মানবিক সফরেও চট্টগ্রাম আসেন। সব মিলিয়ে ভালোবাসার টানে চট্টগ্রাম আসেন অসংখ্যবার।

চট্টগ্রাম থেকেই দেশনেত্রী উপাধি : চট্টগ্রাম থেকেই বেগম খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধি দেয়া হয়। এ বিষয়ে বিএনপির নেতারা একমত হলেও কখন এ উপাধি দেয়া হয় তা স্পষ্ট করে বলতে পারেননি তারা। অনেকে বলছেন ১৯৮৬ সালে নগরের লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভা থেকে খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধি দেয়া হয়। এটি ছিল চট্টগ্রামে বেগম জিয়ার প্রথম জনসভা। বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান এ উপাধি দেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতাদের একাংশ। তবে ১৯৮৯ সালে লালদীঘি ময়দানে আবদুল্লাহ আল নোমানই ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন বলে জানিয়েছেন তার অনুসারীরা।

সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আজাদীকে বলেন, ১৯৮৬ সালে আয়োজিত নির্বাচনে শেখ হাসিনা ও ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) না যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু এরশাদের সঙ্গে আঁতাত করে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেন। যেহেতু ম্যাডাম আঁতাত করেনি, তার এই আপসহীন ভূমিকার জন্য ১৯৮৬ সালে লালদীঘির সভা থেকে ‘আপসহীন দেশনেত্রী’ উপাধি দেয়া হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকার বলেন, লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত বিএনপির মহাসমাবেশ থেকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধি দেয়া হয়। একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী সেটা ঘোষণা করেন। সম্ভবত এটা ১৯৮৮ বা ১৯৮৯ সাল ছিল।

প্রথম চট্টগ্রামে আসেন ১৯৮৪ সালে : দলের দায়িত্ব নেয়ার পর খালেদা জিয়া প্রথম চট্টগ্রাম আসেন ১৯৮৪ সালে। সর্বশেষ আসেন ২০১৭ সালে। মাঝখানে অসংখ্যবার চট্টগ্রাম এসেছেন। কখনো রাজনৈতিক সমাবেশে যোগ দিতে, কখনো মানবিক কারণে।

জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে তিনি বিমানে করে কঙবাজার যান। পরে কঙবাজার থেকে নিজে গাড়ি চালিয়ে খালেদা জিয়াকে চট্টগ্রাম নিয়ে আসেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকার। ওই সময় গাড়িতে ছিলেন কর্নেল (অব.) . অলি আহমদ বীর বিক্রম ও বিএনপি নেত্রী ফরিদা রহমান।

বেগম জিয়া সর্বশেষ চট্টগ্রাম সফর করেন ২০১৭ সালে। ওই বছরের ২৮ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকাচট্টগ্রামকঙবাজারচট্টগ্রাম এবং ঢাকা পর্যন্ত খালেদা জিয়ার চারদিনের সফর ছিল। ২৮ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে খালেদা জিয়া চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৌঁছান। মীরসরাই থেকে সিটি গেট পর্যন্ত এলাকার বিভিন্ন জায়গায় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানান বিএনপির নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষ। এছাড়া সিটি গেট থেকে অলংকার, আকবরশাহ, জিইসি হয়ে সার্কিট হাউস পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে লোকজনের ভিড় ছিল।

চট্টগ্রাম থেকে ২৯ অক্টোবর তিনি কঙবাজার যান। সেখানে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। ৩০ অক্টোবর আবার চট্টগ্রাম আসেন। রাতে ছিলেন সার্কিট হাউস। পরদিন ৩১ অক্টোবর ফিরে যান ঢাকা।

১৯৮৫ সালে প্রথম, ২০১২ সালে শেষ সভা : সর্বশেষ ২০১২ সালের ৯ জানুয়ারি নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে বক্তব্য রাখেন খালেদা জিয়া। ওই সময় বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সমাবেশটিতে কয়েক লক্ষ লোকের সমাগম ঘটে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনকে চূড়ান্ত রূপ দিতে ঢাকা থেকে রোডমার্চ করে এ জনসভায় যোগ দিতে বেগম জিয়া আগের দিন রাত ১১টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছান। রাতযাপন করেন সার্কিট হাউসে।

চট্টগ্রামে প্রথম ১৯৮৫ সালে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তিনি। মুসলিম হলে এ সমাবেশ হয় বলে আজাদীকে জানান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে চট্টগ্রামে আয়োজিত সভায় উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন তিনি। এর আগে ২০০৮ সালের ৭ নভেম্বর লালদীঘি মাঠে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন খালেদা জিয়া। যেটি ছিল লালদীঘি মাঠে তার সর্বশেষ সমাবেশ। ওই সমাবেশের কিছুদিন পর অনুষ্ঠিত হয় নবম সংসদ নির্বাচন। কিন্তু বেগম জিয়া তার বক্তব্যে কোনো প্রার্থীর জন্য ভোট চাননি। তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও। এছাড়া ১৯৯৪ সালে আউটার স্টেডিয়ামে বিএনপির সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। সেখানে দোতলা মঞ্চ করা হয়।

দিয়ে যান সম্প্রীতির বার্তা : ২০১২ সালে ১১ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পটিয়া উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ বিহার ও মন্দিরের ধর্মগুরুদের সাথে মতবিনিময় করেন তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া। এর আগে তিনি সন্ধ্যা ৭টা ৫৩ মিনিটে সার্কিট হাউসের সভাকক্ষে উপস্থিত হন। ধর্মগুরুদের উদ্দেশে ১৩ মিনিট বক্তব্য রাখেন; যেখানে ছিল সম্প্রীতির বার্তা।

মতবিনিময় শেষে পটিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত রত্নাঙ্কুর বৌদ্ধ বিহার, লাখেরা অভয়া বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষের হাতে ৪ লাখ টাকা করে ৮ লাখ টাকা এবং ক্ষতিগ্রস্ত নবারুণ সংঘ সর্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির ও কালীমন্দিরে ১ লাখ টাকা করে ২ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন। এরপর রাত সোয়া ৯টায় অনুষ্ঠান শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস ত্যাগ।

অবশ্য চট্টগ্রামের এ সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল কঙবাজারের রামুতে ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ মন্দির ও বসতি পরিদর্শন করা। এজন্য তিনি ২০১২ সালের ৯ নভেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে সড়কপথে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস এসে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির তৎকালীন সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির তৎকালীন সভাপতি প্রয়াত জাফরুল ইসলাম চৌধুরী ও উত্তর জেলা বিএনপির তৎকালীন সভাপতি গিয়াস কাদের চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ।

রাতে সার্কিট হাউসে অবস্থান করেন খালেদা জিয়া। পরদিন ১০ নভেম্বর তিনি কঙবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এদিন রামুতে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ মন্দির ও বসতি পরিদর্শন করেন এবং রাতটি অবস্থান করেন কঙবাজার সার্কিট হাউসে। পরদিন উখিয়ায় সম্প্রীতি সমাবেশে যোগ দেন। সমাবেশ শেষে সড়কপথে আবার চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকা ফিরে যান।

দুর্যোগে, বিপদে মানুষের পাশে : যেকোনো দুর্যোগে চট্টগ্রামে ছুটে আসতেন খালেদা জিয়া। বিপদে এ অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। ২০১২ সালের ২৬ জুন নগরের আকবরশাহ এলাকার ইয়াছিন কলোনিতে পাহাড় ধসে একই পরিবারের ৩ জনসহ ৭ জন মারা যান। এরপর ৩০ জুন সড়কপথে খালেদা জিয়া চট্টগ্রাম ছুটে আসেন। চট্টগ্রাম পেঁৗঁছেই তিনি পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, লালখান বাজার সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও বহদ্দারহাট শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেঙে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এরপর সার্কিট হাউসে রাতযাপন করেন। পরদিন বেলা ১১টার দিকে ইয়াছিন কলোনির পাহাড় ধসের স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পাহাড় ধসে হতাহতের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়ে তাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন এবং স্থানীয় জনসাধারণ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি পাহাড়ের পাদদেশে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে নিহতদের স্মরণ করেন।

১৯৯৭ সালের ২১ নভেম্বর নগরের হামজারবাগে পাঁচতলা সওদাগর ভিলা ধসে পড়ে ২৩ জনের মৃত্যু হয়। তখনো আহতদের দেখতে চট্টগ্রাম আসেন খালেদা জিয়া। এ সময় তার গাড়িবহর লক্ষ্য করে ছাত্রলীগযুবলীগ হামলা করে বলে আজাদীকে জানান সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, ম্যাডামের গাড়িতে বোমা মেরেছিল। তাকে কয়েক ঘণ্টা অবরোধ করে রাখা হয়।

জানা গেছে, ১৯৯৩ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্রাশফায়ার করে তিন শিক্ষার্থীকে খুনের ঘটনার পরও হতাহতদের দেখতে চট্টগ্রাম আসেন খালেদা জিয়া। একই বছর চট্টগ্রামে বিএনপির বিভাগীয় সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ১৯৮৯ সালের ৩০ মে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ছাত্রদলের অনুষ্ঠানে বিপক্ষ ছাত্র সংগঠনের হামলায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনসহ কয়েকজন আহত হন। এর কয়েকদিন পর চট্টগ্রাম এসে বিষয়টি জানতে পারেন খালেদা জিয়া। এরপর চমেক অধ্যক্ষকে ফোন করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেন।

চট্টগ্রামের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান : খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন অফিসিয়ালি চট্টগ্রামকে ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ ঘোষণা করা হয়। অবশ্য এটার প্রস্তাব দেন প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমান। এ লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার নির্মাণে জায়গা বরাদ্দ দেন বেগম জিয়া। এছাড়া ২০০৬ সালের ১৯ এপ্রিল কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু নির্মাণ, ২০০৪ সালের ১৯ এপ্রিল ফয়’স লেক পর্যটন কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ডায়াবেটিস হাসপাতালের জায়গা বরাদ্দে ভূমিকা ছিল তাঁর। ২০০৬ সালে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করেন তিনি। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে চট্টগ্রামের শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের মানুষের প্রাণের নেত্রী। সারা জীবন তিনি দেশ ও জাতির ভাগ্যোন্নয়নে সংগ্রাম করে গেছেন। শহীদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত চট্টগ্রামকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভালোবাসতেন। চট্টগ্রামের উন্নয়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য গোলাম আকবর খোন্দকার বলেন, চট্টগ্রামের প্রতি বিশেষ টান ছিল দেশনেত্রীর। সেটা আমরা তাঁর কথা ও কাজে বুঝতে পারতাম।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রয়েছে চট্টগ্রামে। তাই বারবার দেশনেত্রী চট্টগ্রাম ছুটে আসতেন। মানবিক কারণেও তিনি এখানে আসতেন। তার সর্বশেষ সফরও ছিল চট্টগ্রাম।

পূর্ববর্তী নিবন্ধএদেশের মানুষই ছিল তার পরিবার, সত্তা, অস্তিত্ব : তারেক
পরবর্তী নিবন্ধবিশ্ব নেতৃবৃন্দের শোক