এবার সংসদ নির্বাচনে সাবেক খেলোয়াড়, সংগঠক অনেকেই প্রার্থী হয়েছিলেন। এদের মধ্যে সাবেক তারকা ফুটবলার ও বাফুফের সাবেক সভাপতি মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভোলা–৩, মোহামেডানের সাবেক নীতিনির্ধারক মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা–৬, ব্রাদার্স ইউনিয়নের আহ্বায়ক ইশরাক হোসেন ঢাকা–৬, সাবেক ভলিবল খেলোয়াড় এহসানুল হক মিলন চাঁদপুর–১, মোহামেডানের সাবেক সহ–সভাপতি ও মনসুর স্পোর্টিং ক্লাবের দীর্ঘদিনের সভাপতি শরীফুল আলম কিশোরগঞ্জ–৬, ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি আলী আজগর লবি খুলনা–৫, ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সদস্য কামরুজ্জামান রতন মুন্সিগঞ্জ–২, সাবেক ক্রীড়া মন্ত্রী মির্জা আব্বাস ঢাকা–৮, বাফুফের জামালপুরের কাউন্সিলর ও ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদোয়ানের ছোট ভাই ওয়ারেস আলী মামুন জয়লাভ করেন। তবে এরা জিতলেও সবাইকে অবাক করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হকের পরাজয়। খেলার ম্যাচের মতোই আমিনুল নির্বাচন মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। কখনো কোনো কেন্দ্রে তিনি এগিয়ে আবার অন্য কেন্দ্রে তার প্রতিপক্ষ জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল বাতেন। শেষ পর্যন্ত আমিনুলের চেয়ে ৩ হাজার ৩৬১ ভোট বেশি পেয়ে তিনি জয়ী হয়েছেন। আব্দুল বাতেন মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছেন। আর আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। তবে ক্রীড়াঙ্গন সংশ্লিষ্ট অনেকে মনে করছেন বিএনপি সরকার গঠন করলে আমিনুল ক্রীড়ামন্ত্রী হতে পারেন। সংসদ সদস্য না হতে পারলেও সেটার সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যায়নি। মন্ত্রীপরিষদে সংসদ সদস্যের বাইরের কাউকে টেকনোক্রেট কোটায় অর্ন্তভুক্ত করা যায়।
সেই আশায় করছেন বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ, ‘এই মুহূর্তে ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি আমিনুলই। দল চাইলে তাকে টেকনোক্রেট হিসেবে মন্ত্রী করতেই পারে।’ নিয়াজ মোর্শেদের মতোই চাওয়া আমিনুলের দীর্ঘদিনের সতীর্থ জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক বিপ্লবের, ‘আমিনুল গত এক দশক যে পরিমাণ জুলুম–নিপীড়ন সহ্য করেছে যা অনেক শীর্ষ নেতাও করেননি। তার অবদান ত্যাগের বিষয়ের পাশাপাশি যোগ্যতা বিবেচনায় তাকে সম্মান দেয়া উচিত। এতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনই উপকৃত হবে।’











