ক্রিকেট, ফুটবলের বাইরে অন্য সকল খেলোয়াড়দের আর্থিক অবস্থা খুবই নাজুক। জীবন–জীবিকার জন্য খেলার পাশাপাশি অন্য কাজও করতে হয়। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্রিকেট বাদে অন্য সকল খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা মাসে ১ লাখ টাকা করে সম্মানী পাবেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আভাস দিয়েছিলেন ভাতার অঙ্ক বেশ আকর্ষণীয় হবে। গতকাল ক্রীড়া ভাতা অনুষ্ঠানে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদ এই ভাতা পেয়ে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে মিশ্র বিভাগে রৌপ্য জেতা খই খই মারমা বলেন, ‘আসলে ভাবতে পারিনি মাসে এত বেতন পাব। এটা প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্য খুশির ব্যাপার।’ মিশ্র বিভাগে খই খইয়ের সাথে পদকজয়ী আরেক টিটি খেলোয়াড় জাভেদ আহমেদ। তিনি দেশের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হলেও জীবনধারনের জন্য খেলার চেয়ে সৌখিন খেলোয়াড়দের কোচিং করিয়েই বেশি সময় কাটে। সরকারের মাসিক ভাতার কারণে এখন তিনি খানিকটা নির্ভার। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ চার মাস পর খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স মূল্যয়ন করবেন। যারা পারফরম্যান্স করতে পারবেন না তারা এই ভাতার আওতা থেকে বাদ পড়ে যাবেন। নতুনরা সুযোগ পাবেন।
এটা ক্রীড়াঙ্গনে সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি করবে বলে মনে করেন খই খই, ‘তিন চার মাস পর যেহেতু পরিবর্তন হবে ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হবে। আমরা যারা এই পর্যায়ে আসছি, আরো ভালো কিছু করার চেষ্টা করব।’












