কতদিন ভেবেছি তার অবয়ব
যেন আমাকে নাড়া না দেয়!
হ্নদয়পুরে সে বসে আছে – কবিতার মত
প্রায় অনুপম ছন্দে খেলে যায় – মনে !
আর আমি! মোহমুগ্ধ হয়ে দেখি
ছন্দের নিপুণ সৌন্দর্য,
অসাধারণ প্রেমময় আত্মার ভাব বিলাস
যেন অদ্ভুত শ্বাস – প্রশ্বাসের স্নিগ্ধ গন্ধ!
আমি ভেসে যাই – অনন্ত সমুদ্রের তরীতে
ভাসতে ভাসতে কখন যে মিলিয়ে যাই
সোনার মদিনার সুরমাদানি ও আতর মোহে
আহা! আরো কত কী? নির্মম চির সতোর মিনার।
ঠিক সেই পবিত্রতার পরশে বসবাস করে – মুখ
যে মুখের দিকে তাকালে– পৃথিবীটা সুন্দর মনে হয়
ঐ সুন্দরে তাকে ছুঁয়ে দেবার আগ্রহে –
আমি তাড়াতে পারি না,
তবু আমি হাত বাড়িয়ে দিই।







