সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগত নির্বাচন হলেও কক্সবাজারে চারটি আসনেই বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। চার আসনেই বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। ভোটে জামায়াত প্রার্থীদের সাথে বিজয়ী প্রার্থীদের তীব্র প্রতিযোগিতা হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য সব প্রার্থী আলোচনাই ছিলেন না। ভোটের ফলাফলেও সে চিত্র দেখা গেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিধি মতে, বিজয়ী প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের ১০ শতাংশের কম ভোট পাওয়ায় বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারে চারটি আসনে মোট ১৮জন প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে বিএনপি–জামায়াতের আট প্রার্থী ছাড়া অন্য ১০ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। আলোচিত ইসলামী আন্দোলনের ৪ প্রার্থীও হারিয়েছেন জামানত। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, কঙবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী। সেখানে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ১৯ ভোট।
কঙবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জিয়াউল হক, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী এস এম রোকনুজ্জামান খান, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহমুদুল করিম। সেখানে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৩ ভোট।
কক্সবাজার–৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও) আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম, লেবার পার্টির প্রার্থী জগদীশ বড়ুয়া, আমজনতা দলের প্রার্থী নুরুল আবছার, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মিয়া। সেখানে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৬ ভোট। কক্সবাজার–৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নুরুল হক, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) প্রার্থী সাইফুদ্দিন খালেদ। সেখানে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী শাহাজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৮২ ভোট।












