এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য যেন না থাকে

কাট্টলীতে জেলে পরিবারে চাল বিতরণকালে এমপি সাঈদ আল নোমান

আজাদী প্রতিবেদন | শনিবার , ৭ মার্চ, ২০২৬ at ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ

এলাকার মানুষের জীবনকে সহজ করা এবং চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলাই নিজের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। তিনি বলেন, এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য যেন না থাকে, সেজন্য সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই। আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে, তাহলে সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকবে।

তিনি গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরের দক্ষিণ কাট্টলী জেলে পল্লীতে ঝাটকা আহরণ থেকে বিরত থাকা ৬০০ জন জেলে পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা মৎস কর্মকর্তা সালমা বেগম। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাঈদ আল নোমান বলেন, আমি জানি আপনারা ১২ ফেব্রুয়ারি আমাকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছেন। আমি চাই আপনাদের জীবনটা যেন আরেকটু সহজ হয়। আপনাদের সন্তানরা যেন নিরাপদে স্কুলে যেতে পারে এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে। এ সময় তিনি এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।

সাঈদ আল নোমান বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জেলেদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ঝাটকা সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত সময় জেলেরা মাছ ধরা থেকে বিরত থাকেন, যা ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক। এ কারণে জেলেদের সহায়তায় সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সরকার তাদের খাদ্য সহায়তাসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে। ভবিষ্যতেও জেলেদের কল্যাণে কাজ অব্যাহত থাকবে।

সাঈদ আল নোমান মৎস্য সংরক্ষণ আইন মেনে চলে ইলিশ মাছসহ সকল মাছ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকারের পাশে থাকার জন্য জেলেদের অনুরোধ জানান। এসময় উপস্থিত মৎস্যজীবীগণ ভিজিএফের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ ইলিশ প্রকল্পের আওতায় বিকল্প কর্মসংস্থান অন্তর্ভুক্তকরণের জন্য অনুরোধ জানান। তখন সাঈদ আল নোমান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

মৎস কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন চৌধুরী সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসান মাহমুদ, নগর বিএনপির সদস্য আবুল হাশেম, মোশারফ হোসেন ডিপ্টি, পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিয়া, জেসমিন খানম, মন্দির কমিটির সভাপতি ডাক্তার ননী গোপাল, জেলে প্রতিনিধি খেলন দাস ও পূর্ণিমা রায়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবিদ্যুৎ বিভ্রাটেও বন্ধ হবে না পড়াশোনা
পরবর্তী নিবন্ধহাটহাজারীতে সাবেক শিবির সভাপতি সালাউদ্দীন গ্রেপ্তার