জুলাই অভ্যুত্থান থেকে গড়ে ওঠা ছাত্রদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এক বছরে পা রাখছে। আজ শনিবার দলটির একবছর পূর্ণ হচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের নিয়ে ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর এনসিপি গঠন করা হয়। এই কমিটি ডানপন্থি, মধ্যপন্থি ও বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ছাত্রনেতা, শিক্ষক, আইনজীবীসহ পেশাদার ব্যক্তিরা যুক্ত হন।
একটি নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করতে এই প্লাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছিল। খবর বাংলানিউজের।
পরে ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তারুণ্যনির্ভর দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এনসিপি। দলটির আহ্বায়ক হন সদ্য উপদেষ্টা থেকে পদত্যাগ করা নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন আখতার হোসেন। এক বছরের মধ্যে সংস্কার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান ধরে রেখেছে দলটি। এছাড়া আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে নিষিদ্ধ করা, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করে রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার ও সংবিধান লেখা, জুলাই ঘোষণাপত্র জারি করা, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার করাসহ একাধিক বিষয়ে সক্রিয় ছিল সংগঠনটি। এক বছরের মধ্যে একটি জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে দলটি। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট গঠন করে ৩০টি আসনে লড়ে ছয় আসনে জিতে এসেছে দলটি। অন্য দুটি আসনে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে।
আজ শনিবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে ১০ দিন ব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। ধানমন্ডি আবাহনী মাঠে ইফতার মাহফিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে এনসিপির কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’। এবারের মোটো নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বিপ্লব, বিকল্প, বিনির্মাণ’। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইফতারে জুলাই শহীদ পরিবার, ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ফ্যাসিবাদবিরোধী গণমাধ্যমকর্মী ও এক্টিভিস্ট এবং সারা দেশের জেলা কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবরা উপস্থিত থাকবেন। এদিন গত এক বছরের কর্মসূচি নিয়ে ডকুমেন্টারি ও চিত্র প্রদর্শনী করা হবে।
এছাড়া ২ মার্চ চট্টগ্রামে, ৩ মার্চ কুমিল্লায়, ৪ মার্চ সিলেটে, ৫ মার্চ ময়মনসিংহে, ৬ মার্চ ঢাকায়, ৭ মার্চ ফরিদপুরে, ৮ মার্চ বরিশালে, ৯ মার্চ খুলনায়, ১০ মার্চ রাজশাহীতে, ১১ মার্চ রংপুরে, ১২ মার্চ ঢাকা মহানগরে, ১৩ মার্চ ঢাকা মহানগর উত্তরে, ১৪ মার্চ ঢাকা মহানগর দক্ষিণে ইফরাত মাহফিল আয়োজন হবে।












