ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির গতকাল ৪র্থ দিনে এক ঘণ্টার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ট্রেনের সকল টিকিট শেষ হয়ে গেছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির গতকাল ৪র্থ দিনে যাত্রীদের মাঝে বিক্রি করা হয় ১৬ মার্চের টিকিট। গতকালের চেয়ে আজ ৭ মার্চের টিকিটের চাহিদা দ্বিগুণ হবে বলে জানান রেলওয়ের চট্টগ্রাম স্টেশন মাস্টার।
চট্টগ্রাম স্টেশন মাস্টার আবু জাফর মজুমদার আজাদীকে বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় ১৬টি ট্রেনে প্রতিদিন ৮ হাজারের মতো টিকিট অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে। আজকে থেকে (গতকাল) যাত্রীদের কাছে ঈদের অগ্রিম টিকিটের চাহিদা বেড়েছে। শনিবার, রবিবার ও সোমবার টিকিটের চাহিদা দ্বিগুণের বেশি হবে। ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের সরকারি ছুটির দিন থেকে ঈদের ছুটি শুরু হচ্ছে। গত তিনদিন ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিটের যাত্রীদের তেমন চাহিদা ছিল না। স্বাভাবিক দিনের মতোই ছিল। যাত্রীদের চাহিদা বেড়েছে গতকাল থেকে। গতকাল সুবর্ণ, সোনার বাংলা, বিজয় এক্সপ্রেস ছাড়া অন্যান্য প্রায় ট্রেনের টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। গতবারের মতো এবারও ঈদযাত্রার শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে। অনলাইন মাধ্যমে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে, রেলসেবা অ্যাপসে ও সহজ ডটকমের প্ল্যাটফর্ম থেকেই শতভাগ টিকিট বিক্রি হচ্ছে।
দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হয় পূর্বাঞ্চলের ১৬টি ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। এবার স্পেশালসহ আন্তঃনগর ট্রেনে চট্টগ্রাম থেকে প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৫ হাজার টিকিট যাত্রী ঈদে বাড়ি যেতে পারবে। এবার ঈদের ছুটি শুরু হচ্ছে ১৭ মার্চ থেকে। ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ১৭ মার্চ শবে কদরের এবং ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি। চলতি বছর রমজান মাস ৩০ দিন ধরে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের সাধারণ ছুটি নির্ধারণ করে রেখেছে সরকার। ঈদুল ফিতরের আগে–পরে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা আছে। সব মিলে টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীরা।
গত ৩ মার্চ থেকে ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট টিক্রি শুরু হয়েছে। চলবে ৯ মার্চ পর্যন্ত। ৯ মার্চ বিক্রি করা হবে ১৯ মার্চের টিকিট।
এছাড়া ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট চাঁদ দেখা সাপেক্ষে বিক্রি করা হবে বলে রেলওয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।












