হযরত খানজাহান আলী (রাহ.) ও বায়তুশ শরফের পীর–মুরশিদ যথাক্রমে হযরত মাওলানা মীর মোহাম্মদ আখতর (রাহ.), হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ আবদুল জব্বার (রাহ.) এবং হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ কুতুবউদ্দীন (রাহ.) স্মরণে বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার বাগেরহাট জেলার ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ ও মাজার প্রাঙ্গণে আয়োজিত ৪৮তম বার্ষিক ইছালে ছওয়াব মাহফিলের দ্বিতীয় দিবস বাদ জুমা সভাপতির বক্তব্যে রাহবারে বায়তুশ শরফ ও বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী (ম.জি.আ) বলেন, এতদঞ্চলে যুগযুগ ধরে ইসলাম এসেছে পীর, মাশায়েখ এবং আউলিয়ায়ে কেরামের মাধ্যমে। মুসলমানদের দুর্দিনেও এগিয়ে এসেছিলেন পীর, মাশায়েখ, আউলিয়ায়ে কেরাম। ইসলাম ধর্মের প্রচার ও হিদায়াতের কাজে তাঁরা ঘুরে বেড়িয়েছেন বাংলার গ্রামে গ্রামে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাগেরহাট–২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, বায়তুশ শরফের মরহুম পীর আল্লামা শাহ মুহাম্মদ আবদুল জব্বার (রাহ.) ছিলেন বাগেরহাটবাসীর জন্য আশির্বাদ স্বরূপ। তাঁর শুভাগমনে বাগেরহাটবাসী পেয়েছেন শিরক বিদআত মুক্ত সঠিক ইসলামের দিশা। মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ নুরুল কবির চৌধুরী, বাগেরহাটের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এম এ সালাম। বুলবুলে বায়তুশ শরফ মাওলানা কাজী মুহাম্মদ শিহাব উদ্দিনের সঞ্চালনায় মাহফিলে নসিহত পেশ করেন বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল (অনার্স–মাস্টার্স) মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা এএসএম ছলিমুল্লাহ, মাওলানা ছলাহুদ্দিন বেলাল, অধ্যাপক নইম কাদের, খুলনা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা শমসের আলী, অধ্যাপক ড. ওয়ালি উল্লাহ মুঈন, বাগেরহাট ষাটগুম্বুজ বায়তুশ শরফ আদর্শ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আসলাম হোসেন, মাওলানা ইউসুফ আরমানী, মাওলানা মুহিব্বুর রহমান, মাওলানা মুহাদ্দিস মিরাজ মাহমুদ, মাওলানা মোঃ হাবিবুর রহমান, মাওলানা জিয়াউল হক আনসারী, হাফেজ মাওলানা মোবারক হুসাইন, হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান সাইফ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।










