ঐতিহাসিক কারবালার এই শোকাবহ ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে অতুলনীয়। অভিশপ্ত ইয়াজিদ বাহিনীর সৈন্যদের হাতে অবরুদ্ধ হয়ে পরিবার–পরিজন, সঙ্গী–সাথী সকলকে বিসর্জন দিয়ে আমাদের এই ইসলাম কে সুসজ্জিত করেছেন। তাঁর এ মহা অবদান আমরা পরিশোধ করার মত নয়। ইমাম হোসাইন (রা.) এর শাহাদত বরণের এ মর্মান্তিক ঘটনা কিয়ামত পর্যন্ত ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে। আর পাপিষ্ঠ ইয়াজিদ সকলের কাছে ঘৃণিত হয়েই থাকবে। তাঁর এই শাহাদাত বরণ আমাদেরকে শিক্ষা দেয় জীবন চলে গেলেও ইমান দেওয়া যাবে না।
গত শুক্রবার পটিয়াস্থ ঐতিহ্যবাহী আমির ভান্ডার দরবার প্রাঙ্গণে শাহাদাত–এ–কারবালা মাহফিল কমিটি আমির ভান্ডার দরবারের ব্যবস্থাপনায় আহলে বায়তে রাসুলের (দ.) স্মরণে ১০ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের সমাপনী দিবসে আল্লামা শাহসুফি ছৈয়্যদ মুহাম্মদ শামুন রশিদ শাহ আমীরভান্ডারী উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন আল্লামা শাহসুফি মুহাম্মদ ছৈয়্যদ মামুনুর রশিদ আমীর ভান্ডারী (মা.জি.আ.)। প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন চট্টগ্রাম–১২ পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম। দরবারে শাহজাদাগণের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পীরে তরিকত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আসারার এ শাহ আমিরী, পীরজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ শহীদুজ্জামান আমিরী, পীরজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ ফজলুল হক আমিরী ফয়সাল, শাহজাদা ছৈয়্যদ মুহাম্মদ আশিক শাহ আমিরী। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন নেছারিয়া আলীয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর। আলোচক হিসেবে ছিলেন ড. নুরুন্নবী আযহারী, চট্টগ্রাম রাগুনিয়া রাণীরহাট ফাজিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আবুল কালাম বয়ানী, আমির ভান্ডার বায়তুন নুর জামে মসজিদের খতিব শায়ের মুহাম্মদ সেলিম রেজা কাদেরী। অতিথি হিসেবে ছিলেন হাজী মুহাম্মদ আবুল বশর সিআইপি, শফিকুল ইসলাম, মঈনুল আলম ছোটন, আবুল কাসেম, ইলিয়াছ চৌধুরী ভুট্টো, আলহেরা ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল হক আমিরী, আলহেরা মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও মুহাম্মদ ইসহাক। পরিশেষে মিলাদ কিয়াম, দেশ ও জাতির কল্যাণে মোনাজাত ও তাবারুক বিতরণের মাধ্যমে শাহাদাতে কারবালা মাহফিল সমাপ্ত হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।








