বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ফাম ভিয়েট চিয়েন ও ভিয়েতনাম থেকে আগত বাণিজ্য প্রতিনিধিদল চিটাগাং চেম্বার নেতৃবৃন্দের সাথে গত রোববার সন্ধ্যায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, পরিচালক নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন, এস. এম. রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ, মাহফুজুল হক শাহ, গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী, মো. হারুন। ভিয়েতনাম বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে লী থাই হাই ও ফাম ভ্যান লোয়ান বক্তব্য রাখেন।
ভিয়েতনাম রাষ্ট্রদূত ফাম ভিয়েট চিয়েন বলেন, বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশ হচ্ছে ভিয়েতনামের দ্বিতীয় বৃহত্তম ট্রেডিং পার্টনার এবং উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কোন্নয়ন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উভয়দেশের বেসরকারি খাত বিশেষ করে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সমাজের সাথে পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়নে চিটাগাং চেম্বার বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি এই সফরের মূল লক্ষ্য। এক্ষেত্রে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের ভিয়েতনাম ভ্রমণ করে সঠিক ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে বের করার অনুরোধ জানান রাষ্ট্রদূত। তিনি উভয়দেশের মধ্যে বাণিজ্যের অপার সম্ভাবনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরো সহজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দু’পক্ষের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে দূতাবাসের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম বলেন, ২০১৯ সালে ভিয়েতনাম থেকে ৬৯৪ মিলিয়ন ডলারের আমদানির বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি মাত্র ৭১.৩ মিলিয়ন ডলার। এ বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে বাংলাদেশি রপ্তানি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। ভিয়েতনামে বাংলাদেশি পণ্য তেমন সুপরিচিত নয়। তাই ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশের মাধ্যমে বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে বছরে ২ থেকে ৩ বার বাংলাদেশি পণ্যের প্রদর্শনী আয়োজন করা হলে তা সহায়ক হবে। এক্ষেত্রে উভয় সরকারের পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে ক্ষেত্র প্রস্তুত করা হলে বেসরকারি খাত তার সদ্ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












