নানা জটিলতা আর অনিশ্চয়তার মাঝে বিপিএল শুরুর সময় পরিবর্তনের যে ইঙ্গিত মিলেছিল আগের দিন, সেটাই হয়তো সত্যি হতে যাচ্ছে। অন্তত এক সপ্তাহ পিছিয়ে যাচ্ছে এবারের আসর। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) গভর্নিং কাউন্সিলের বারবার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ফলে আসছে ঘিরে প্রশ্ন আর অনিশ্চয়তা বেড়েই চলেছে। এবার আসর পিছিয়ে যাওয়ার খবরে তা বেড়েছে আরও। বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার আহদে মিঠু পূর্বঘোষিত সূচি ‘কিছুটা’ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন। বৃহস্পতিবার বিসিবিতে অনানুষ্ঠানিক এক বৈঠকে সূচি বদলের সিদ্ধান্ত একরকম চূড়ান্তই হয়েছে। তাই পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৯ ডিসেম্বর যে আসরটি মাঠে গড়াচ্ছে না, তা এখন নিশ্চিতই বলা যায়। নতুন ফ্রাঞ্চাইজি যুক্ত হওয়ায় তাদের দল গঠনের প্রস্তুতি, কিট–সরঞ্জাম ক্রয়, সবকিছুর জন্যই সময় চাওয়া হচ্ছে। বাকি পাঁচ দলও এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। সেই অবস্থায় নিলাম থেকে শুরু করে ম্যাচ শুরুর তারিখ পর্যন্ত সবই পেছানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তাই অন্তত তিন সপ্তাহ পিছিয়ে আসর শুরুর পরিকল্পনা হচ্ছে, এমনটাই জানিয়েছেন ইফতেখার রহমান। ‘আজকে বিপিএলের দিনক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ম্যাচ শুরুর তারিখ ঠিক করা হচ্ছে। সূচি তৈরি শেষ হলে বোঝা যাবে কোন দিন থেকে শুরু করা যাবে ভ্রমণের সময় থেকে সবার জন্য ম্যাচ বিরতি যেন সব দলের জন্য সমান থাকে, সেটাই আমরা দেখছি। মূল বিষয় হচ্ছে দলগুলোকে যতটা সম্ভব সময় দেওয়া। পাশাপাশি জার্সি, টুপি, সরঞ্জাম তৈরির জন্যও তো সময় লাগে। নিলাম থেকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে হচ্ছে লিগ। অল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু নিখুঁতভাবে করা কঠিন। নিলামের পর দল গোছানোর জন্য যতটা সম্ভব সময় দিতে চাই।’
‘আমরা সর্বোচ্চ সময় দেওয়ার চেষ্টা করছি। এটা বড় পর্যায়ের টুর্নামেন্ট। ৩০ নভেম্বর দল তৈরি হওয়ার পর দুই সপ্তাহের মধ্যে খেলা শুরু করা, জার্সি, প্যাড, ব্যাট, হেলমেট সবকিছু প্রস্তুত, ব্যবস্থা করতে সময় লাগে। এটাও কম সময়। খেলোয়াড়দের পোশাকের মাপ ছাড়া কিছু কাজ এগিয়ে নিতেও সময় দরকার। তাই টুর্নামেন্ট পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’ অবশ্য নিলাম আগের নির্ধারিত সূচিতেই আয়োজনের সিদ্ধান্ত জানান ইফতেখার রহমান। ‘নিলাম নির্ধারিত সময়েই হবে। আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ নিয়ে কোনো সন্দেহের সুযোগ নেই।’












