আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজ বাংলাদেশ শুরু করেছে হার দিয়ে। ক্রমাগত ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ পিছিয়ে যায় প্রথম টি–টোয়েন্টি ম্যাচে। যা থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি তারা। আজ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। এ ম্যাচ টিকে থাকার লড়াই করতে হবে তাদের। আর সিরিজে সমতা আনতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই টাইগারদের। কারণ ম্যাচ হারলেই সিরিজও হারাতে হবে। তাই জয়ের লক্ষ্য নিয়েই আজ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে চায় সফরকারী আয়ার্যলান্ড। সেই লক্ষ্যে দ্বিতীয় ম্যাচেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে চায় আইরিশরা। সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হওয়া সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি সরাসরি দেখাবে টি–স্পোর্টস চ্যানেলে।
প্রথম ম্যাচে শুরুতেই ৩ উইকেটের পতন বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে বলে জানান অধিনায়ক লিটন দাস। তিনি বলেন, ‘আমি জানি চট্টগ্রামের উইকেট মাঝে মাঝে ব্যাটিং–বান্ধব, বিশেষ করে যখন শিশির থাকে। কিন্তু পাওয়ার–প্লেতে কিছু উইকেট হারিয়ে ফেললে পরের দিকের ব্যাটারদের জন্য পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে পড়ে। দ্রুত চার উইকেট হারানো আমাদের সমস্যায় ফেলেছে।’ এই থেকে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি আর। শুধুমাত্র তাওহিদ হৃদয়ই ছিলেন ব্যতিক্রমীদের মধ্যে একজন। তাকে দাঁড়িয়ে থেকে বাকিদের আসা যাওয়াই দেখতে হয়েছে। নিজেও বলেছেন, ভালো একটি জুটি হলে ম্যাচ বাংলাদেশের পক্ষে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা যেত।
প্রথম ম্যাচে বোলারদের প্রশংসা করেছেন লিটন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বোলাররা ভালো করেছে, বিশেষ করে মোস্তাফিজ। আমরা জানি সে কেমন বোলিং করে। তারপরও, আমরা আরও ভালো বোলিং করতে পারলে প্রতিপক্ষের আরও ২০–২৫ রান কম হতো।’
আয়ারল্যান্ড সিরিজের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। এখন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় সিরিজ হারের শঙ্কায় টাইগাররা। টি–টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ৯ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড। এরমধ্যে টাইগারদের জয় ৫ ম্যাচে ও হার ৩ ম্যাচে। ১টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। ২০২৩ সালে সর্বশেষ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের সিরিজ ২–১ ব্যবধানে জিতেছিল টাইগাররা।












