অর্থনীতিকে এত বেশি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না : খসরু

| বুধবার , ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ at ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারসহ অর্থনীতির বিভিন্ন খাত নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে ‘অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের’ মধ্যে দিয়ে গেছে, এমন পর্যবেক্ষণ দিয়ে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উদারীকরণের পথে হাঁটার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অর্থনৈতিকভাবে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রিত, তাই আমাদের ডিরেগুলেশন ও উদারীকরণের পথে হাঁটতে হবে। এত বেশি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ আয়োজিত সেমিনারে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। খবর বিডিনিউজের।

রাজনীতিক, অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে ‘পোস্ট ইলেকশন ২০২৬ হরাইজন; ইকোনোমি, পলিটিঙ অ্যান্ড ক্যাপিটাল মার্কেট’ শীষর্ক এই আয়োজনে আমীর খসরু বলেন, ভোটের পূর্ব প্রস্তুতি চলছে। আমরা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি এবং আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা হল নির্বাচনি প্রক্রিয়া যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। ১৬, ১৭ বা ১৮ বছর পর নাগরিকরা তাদের ভোট দিয়ে এমন একটি সরকার গঠন করার সুযোগ পাবেন, যারা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে। বিশ্বজুড়ে অনেক ‘ফান্ড ম্যানেজার’, যাদের মধ্যে অনেকে প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন তারা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য অপেক্ষা করছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। সেই জন্য বাংলাদেশকে কঠোর সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে, এমন মত দিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অর্থনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রিত, তাই আমাদের ডিরেগুলেশন এবং উদারীকরণের পথে হাঁটতে হবে। তার মতে, বাংলাদেশের বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো নীতিগত বিকৃতি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেশি আইন ও বিধিনিষেধ যুক্ত হয়েছে মন্তব্য করে আমীর খসরু বলেন, অনেকগুলোই মুক্তবাজার অর্থনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আপনি হয় বাজারব্যবস্থা রাখবেন, নয়তো রাখবেন না্তদুটো একসঙ্গে সম্ভব নয়। বাজারের ওপর আস্থা রাখতে হলে বাজারকে স্বাধীনভাবে চলতে দিতে হবে। বাস্তবতা হল, গত দেড় বছরে দেশের অর্থনীতি একটি নিম্নস্তরের ভারসাম্যে চলে গেছে। এ অবস্থা থেকে বের হওয়াটাই আগামী দিনের বড় চ্যালেঞ্জ মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজন ব্যাপক সংস্কার, উদারীকরণ এবং বাজারমুখী নীতি। হোক সেটা বিনিময় হার, পুঁজিবাজার কিংবা আমদানি রপ্তানি সব ক্ষেত্রেই বাজারকে সিদ্ধান্ত নিতে দিতে হবে। সেমিনার সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের পরিচালক ও ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম।

পূর্ববর্তী নিবন্ধফটিকছড়িতে বিশেষ অভিযানে ৯ দেশীয় বন্দুক উদ্ধার
পরবর্তী নিবন্ধঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে হাদির পরিবার, এক কোটি টাকা বরাদ্দ