৬ দিন ধরে অবরোধ,স্থবির সাজেক

৫ দাবির মধ্যে একটি নিয়ে সমঝোতা হয়নি

রাঙামাটি প্রতিনিধি | বুধবার , ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ at ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র সড়কে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে ষষ্ঠ দিনের অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন অবরোধকারীরা। অবরোধের কারণে গত বৃহস্পতিবার থেকে সড়কটিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে সাজেক ভ্যালি।

এদিকে সোমবার বিকালে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাজেকের আন্দোলনকারী দুই সংগঠনের মধ্যে বৈঠক হলেও দাবি–দাওয়া নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় বৈঠক অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়। মোট ৫টি দাবির ৪টি দাবি প্রসঙ্গে সমঝোতা হলেও একটি অর্থাৎ যে দাবি ঘিরে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা, সেটি নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় সমাধান আটকে গেছে।

জানা গেছে, গতকাল সকাল ৬টা থেকে সাজেক সড়কের মাচালং ১৪ কিলো, বাঘাইহাট হাজাছড়া ১০ নম্বর এলাকায় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। অবরোধে সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহবায়ক বাবুধন চাকমা বলেন, সোমবার বিকালে প্রশাসনের সঙ্গে আমরা আলোচনায় বসেছিলাম। তবে আলোচনায় কোনো সমাধান হয়নি। প্রশাসন আমাদের পাঁচটি দাবির মধ্যে চারটি দাবি মানতে রাজি হলেও একটি দাবি মানতে কিছুটা সময় চেয়েছে। আমরা তাদের পাঁচ দিনের সময় দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রশাসন তা মানতে রাজি হয়নি বলে আলোচনা অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি চলমান থাকবে।

সোমবারের বৈঠক শেষে রাতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি সদরে ফিরে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। এ সময় খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, সাজেকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা যে পাঁচটা দাবি করেছেন তার মধ্যে চারটি দাবি আমরা মেনে নিয়েছি। বাকি আরেকটি দাবি সাজেক থেকে জেএসএস সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া নিয়ে কয়েকদিনের মধ্যে আবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা হবে।

সাজেকের বর্তমান পরিস্থিতি বিষয়ে সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, অবরোধ চলমান রয়েছে। যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার রয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধট্রাম্পের বিরুদ্ধে এবার ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের
পরবর্তী নিবন্ধগ্রিন চট্টগ্রাম গড়তে ১০ লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষ্য পূরণ করতে হবে