রাফি স্মৃতি জুনিয়র ক্রিকেটের ফাইনালে বাদশা মিয়া ও শতাব্দী

ক্রীড়া প্রতিবেদক | শুক্রবার , ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ at ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ

রাফি স্মৃতি মহানগর অনূর্ধ্ব–১৮ জুনিয়র টি – টুয়েন্টি ক্রিকেটের ফাইনালে ওঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাদশা মিয়া স্মৃতি সংসদ ও শতাব্দী ক্রিকেট একাডেমি। প্রথম সেমিফাইনালে বাদশা মিয়া স্মৃতি সংসদ ২০ রানে ব্রাদার্স ক্রিকেট একাডেমিকে এবং দ্বিতীয় সেমিফাইনালে শতাব্দী ক্রিকেট একাডেমি ৬ উইকেটে জুনিয়র ক্রিকেট ট্রেনিং একাডেমিকে হারিয়ে এ কৃতিত্ব দেখায়। বিজয়ী দু–দল আগামী ২৬ অক্টোবর ফাইনালে একে অপরের মুখোমুখি হবে। গতকাল দামপাড়া পুলিশ লাইন মাঠে অনুষ্ঠিত দিনের প্রথম সেমিফাইনালে টস জয়ী বাদশা মিয়া স্মৃতি সংসদ আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১২৪ রান করে। জবাবে ব্রাদার্স ক্রিকেট একাডেমি ১৯.৪ ওভারে ১০৪ রানে অলআউট হয়। বাদশা মিয়া স্মৃতি সংসদের ইনিংসে তুহিন ফরহাদ ৩১, হাসান মিয়া ১৮, মোহাম্মদ সাফায়েদ ১৭ ও ইমন চৌধুরী ১৬ রান করেন। অতিরিক্ত খাতে ২৬ রান যোগ হয়। ব্রাদার্স ক্রিকেট একাডেমির আব্দুল্লাহ আবির ৫ রানে ৩টি, ফারিব অহন ২২ রানে ২টি এবং ইশতিয়াক আহমেদ ১৭ রানে ১ উইকেট নেন। ব্রাদার্স ক্রিকেট একাডেমির হয়ে বাংলাদেশ জাতীয় অনূর্ধ্ব–১৭ দলের ক্রিকেটার এবং চট্টগ্রাম অনূর্ধ্ব–১৭ দলের অধিনায়ক জুনায়েদ হোসেন ৩৯ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ম্যাচ সেরা ৪৪ রান করেন। অন্যান্যের মধ্যে ফারিব অহন ২৮ ও রাহুল দাসের ১৪ রান ছাড়া বাকিদের কেউই দু–অংকের রান করতে না পারলে প্রথম পরাজয় মেনে নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাদার্স ক্রিকেট একাডেমি। অতিরিক্ত খাতে আসে ৮ রান। বাদশা মিয়া স্মৃতি সংসদের মোহাম্মদ সাফায়েদ ১০ রানে ৩টি এবং মোহাম্মদ মারুফ ১১, সাজিদুল একরাম ১৪, তালহা বিন তারেক ১৬ ও তুহিন বোরহান ২২ রানে প্রত্যেকে ১টি করে উইকেট নেন। জয়ী দলের মোহাম্মদ সাফায়েদ অল রাউন্ড (১৭ রান ও ১০ রানে ৩ উই🙂 নৈপুণ্যে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন। খেলা শেষে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন চট্টগ্রাম মহানগর ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য, সাবেক কৃতী ফুটবলার সাজীব বিকাশ বড়ুয়া টুটুল।

একই মাঠে অনুষ্ঠিত দিনের অপর সেমিফাইনালে টস জয়ী জুনিয়র ক্রিকেট ট্রেনিং একাডেমি প্রথমে ব্যাট করে ১৬.২ ওভারে ৭৬ রানে অলআউট হয়। জবাবে শতাব্দী ক্রিকেট একাডেমি ১৭.৩ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয় (৭৭) নিশ্চিত করে। জুনিয়র ক্রিকেট ট্রেনিং একাডেমির হয়ে অর্জুন চৌধুরীর ২৩, ফাহিমের ১৬ ও ইতমাম বিন ইনামের ১০ রান ছাড়া বাকিদের কেউই দু–অংকের রান করতে পারেননি। অতিরিক্ত খাতে আসে ১৭ রান। শতাব্দী ক্রিকেট একাডেমির মোহাম্মদ রবিউল ৮, অজয় মজুমদার ১৫, মোহাম্মদ নাহিদ ১৬ ও মোহাম্মদ মিসবাহ ১৭ রানে প্রত্যেকে ২টি করে এবং প্রাঞ্জল দাস ৬ ও প্রাণ গোপাল বর্মন ১১ রানে ১টি করে উইকেট নেন। শতাব্দী ক্রিকেট একাডেমির ইনিংসে প্রাঞ্জল দাস ২০, মোহাম্মদ মিসবাহ ১৬ ও জোবায়েদ আলম অপ: ১২ রান করেন। অতিরিক্ত হিসেবে আসে ১২ রান। জুনিয়র ক্রিকেট ট্রেনিং একাডেমির ইমরান হোসেন বাবু ৬ রানে ৩টি, ইতমাম বিন ইনাম ১২ রানে ২টি ও তুষার শীল ১৬ রানে ১ উইকেট দখল করেন।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন জয়ী দলের মোহাম্মদ মিসবাহ (১৭ রানে ২ উই: এবং ১৬ রান)। খেলা শেষে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন, চট্টগ্রাম মহানগর ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য ক্রীড়া সংগঠক সেকান্দর কবির।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকথায় শিরোপা জয়, কাজে তার প্রতিফলন নেই : হৃদয়
পরবর্তী নিবন্ধহ্যান্ডবলের ফাইনালে ভারতের সাথে লড়াই করে হারলো বাংলাদেশ