কক্সবাজারের চকরিয়ায় অপহরণের পর ছাত্রদল নেতা ইশফাতুল ইসলাম জিসান (২৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার নিহতের বড় ভাই কাইছার হামিদ বাদী হয়ে এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন রাজিয়া সুলতানা, তার বড় ভাই পৌরসভার সবুজবাগের কবির টাওয়ারের মালিক কৈয়ারবিল ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য প্রবাসী মোহাম্মদ জকরিয়া, তার অপর তিন ভাই মিজানুর রহমান, মিনহাজ উদ্দিন, নাজেম উদ্দিন, নাজেম উদ্দিনের
স্ত্রী এবং এ. কে তারেক। এছাড়া আরও ৪–৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। মামলায় রাজিয়া সুলতানাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। নিহত জিসান উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক।
মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই কাইছার হামিদ বলেন, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে জিসানকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। আমরা এজাহারে সুনির্দিষ্ট তথ্য–প্রমাণসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করেছি। পুলিশের কাছে আমাদের একটাই দাবি, অবিলম্বে এই চিহ্নিত খুনিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং আমার ভাই হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাকারা মাঝের স্টেশন এলাকা থেকে একদল দুর্বৃত্ত জিসানকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়। অপহরণের চার ঘণ্টা পর সোমবার ভোররাতে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় মহাসড়কের পাশে জঙ্গল থেকে তার হাত–পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, জিসানকে চকরিয়া পৌরসভা ৪ নম্বর ওয়ার্ড সবুজবাগ এলাকার ‘কবির টাওয়ারে’ নিয়ে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ওসি আরিফুর রহমান জানান, মামলা রুজু হওয়ার পর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।












