সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ভারতে যাওয়ার পথে ওমান উপকূলে হামলার শিকার ‘এমভি কেপ দাও’ নামের বাল্ক ক্যারিয়ারের প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন বাংলাদেশি আমান উল্লাহ। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমান উল্লাহ মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ১৫তম ব্যাচের সাবেক ক্যাডেট। তাঁর ছেলে সাকিব আমানও বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি ৫৩তম ব্যাচের ক্যাডেট। খবর বাংলানিউজের।
সাকিব আমান জানিয়েছেন, তাঁর বাবা জাহাজে হামলার দিন বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টা ৬ মিনিটে অডিও বার্তা পাঠান। যাতে তিনি বলেছিলেন, ‘আব্বু, আব্বু, আমাদের জাহাজে মিসাইল অ্যাটাক হইছে। দোয়া করো আব্বু, দোয়া করো। হয়তো আর কমিউনিকেশন করতে পারব না, আব্বু। সাবধানে থাইকো। আর দোয়া করো। আম্মুকে (সাকিবের মা) এই কথা বলার দরকার নাই। আম্মু খুব চিন্তা করবে।’
বার্তা পাঠানোর বেশ কিছু সময় আর যোগাযোগ হয়নি পরিবারের সঙ্গে। পরে নিয়মিত যোগাযোগ হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে সাকিব বাংলানিউজকে বলেন, কিছুক্ষণ আগে আব্বুর সঙ্গে কথা হয়েছে। এখন বাবা নিরাপদে আছে। বাবাসহ উদ্ধার হওয়া নাবিকদের জাহাজ থেকে সরিয়ে ওমানের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, ওই হামলায় এক ভারতীয় নাবিক মারা গেছেন। জাহাজে মোট ২০ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন; তাঁদের মধ্যে ১৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।













