মহেশখালীতে সাফিয়া আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর নিহতের লাশ বাড়ির পাশে এক গ্রাম্য চিকিৎসকের চেম্বারে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে অভিযুক্তরা। গতকাল বুধবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের মনিপুর পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাফিয়া ওই এলাকার আবদুল হামিদের স্ত্রী।
নিহতের স্বজন তারেক জানান, সাফিয়া আক্তারের সঙ্গে তার স্বামী আবদুল হামিদের দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। গতকাল সকালে তাদের মধ্যে বাকগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন সাফিয়াকে মারধর করে। এতে তিনি মারাত্মক আহত হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক উজ্জ্বলের চেম্বারে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক সাফিয়াকে মৃত ঘোষণা করলে তারা লাশ চেম্বারেই ফেলে রেখে পালিয়ে যান। নিহত সাফিয়ার বাবার দাবি, তার মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করার পর এখন আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে মহেশখালী থানার ওসি আবদুস সুলতানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বিকেলে ওই পল্লী চিকিৎসকের চেম্বার থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার পর থেকে স্বামীসহ পরিবারের সবাই পলাতক থাকায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। ওসি বলেন, ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।











