সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানিয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, স্পিকার মহোদয়ের অফিসে ও নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আমাদের একজন সংসদ সদস্য দলীয় চিঠি পৌঁছে দিয়েছেন।
এদিন দুপুরে জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে চিঠির অনুলিপি সংবাদমাধ্যমে পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে পরিচালিত সাংগঠনিক তদন্তে তাঁর নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে চিঠিতে বলা হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
গেল ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সাতক্ষীরা–৪ আসন থেকে নির্বাচিত হন নজরুল ইসলাম। সোমবার রাতে এক তরুণীর সঙ্গে তার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ফেইসবুকে ছড়ায়। এ বিষয়ে প্রথমে জামায়াতের নেতাকর্মীরা এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বলে দাবি করেন। এরপর মঙ্গলবার সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম ফেসবুকে পোস্টে ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় জামায়াতে ইসলামী।
এদিকে গাজী নজরুল ইসলামকে তার দল জামায়াতে ইসলামী বহিষ্কার করলেও তার এমপি পদ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের করার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ। এক প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার তিনি বলেছেন, দল বহিষ্কার করলেও ইসির কিছু করার সুযোগ নেই। তবে দল থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়।












