ইসলামে অ্যালকোহল ও জুয়া নিষিদ্ধ হওয়ায় অনেক মুসলিম ফুটবলার এসব প্রতিষ্ঠানের প্রচারণা থেকে সচেতনভাবেই দূরে থাকেন। চলমান বিশ্বকাপেও দেখা গেছে, ম্যাচসেরার পুরস্কার গ্রহণের সময় কয়েকজন মুসলিম খেলোয়াড়ের পেছনের বিজ্ঞাপনি বোর্ডে থাকা অ্যালকোহল ব্র্যান্ডের লোগো প্রদর্শন করা হয়নি। কোনো মুসলিম খেলোয়াড় ম্যাচ সেরা হলে তাকে দেওয়া ট্রফিতে থাকছে না অ্যালকোহলের বিজ্ঞাপন। ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা দেখা গেছে। ব্যক্তিগত নীতিগত অবস্থানের কারণে তিনি অ্যালকোহল ও জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো প্রচারণার অংশ হন না। তাই ম্যাচসেরার পুরস্কার গ্রহণের সময়ও অ্যালকোহল স্পনসরের লোগোর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে বিকল্প টুর্নামেন্ট ব্র্যান্ডিং। কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের জয়ের ম্যাচেও সেই অবস্থানেরই প্রতিফলন দেখা যায়। ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্সের পর সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গ্রহণের সময় সাধারণত যে অ্যালকোহল স্পনসরের ব্র্যান্ডিং দেখা যায়, সেখানে তার পরিবর্তে ব্যবহার করা হয় বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ‘সুপিরিয়র প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ ডিজাইন ও ফিফার নিজস্ব ব্র্যান্ডিং। ফলে অনুষ্ঠানে কোনো অ্যালকোহল ব্র্যান্ডের লোগো দেখা যায়নি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এমবাপ্পে মুসলিম নন। তবুও ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে তিনি অ্যালকোহল ও জুয়ার প্রচারণা এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন।












