হালদা নদী থেকে মাছসহ কোন প্রকার জলজ প্রাণী শিকার করবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন কাপ্তাই উপজেলার শতাধিক মৎস্যজীবী। জীবীকা নির্বাহের একমাত্র উপায় ও অবলম্বন মাছ ধরা সত্ত্বেও এসব মৎস্যজীবীরা হালদা নদীর সাথে সংযুক্ত ১৭টি খাল ও ৪টি নদী থেকে প্রজনন মৌসুম ফেব্রুয়ারি হতে জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরা থেকে বিরত থাকবেন বলে জানান। গতকাল সোমবার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, কাপ্তাই কর্তৃক হালদা নদী ও সংযুক্ত কর্ণফুলী নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র ও মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মৎস্যজীবীদের নিয়ে আয়োজিত উদ্বুদ্ধকরণ সভায় উপস্থিত মৎস্যজীবীরা উল্লেখিত অঙ্গীকার করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রায়হানুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান খান। কাপ্তাই উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মো. এরশাদ বিন শহীদের সঞ্চালনায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. দিলদার হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবীব, সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান ও তথ্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন।
প্রধান অতিথি বলেন, হালদা নদী সংলগ্ন ৪টি নদী যথাক্রমে কর্ণফুলী, শিকলবাহা, চাঁদখালী এবং সাঙ্গু নদীতে মার্চ মাস থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত মাছ শিকার নিষিদ্ধ রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২ বছরের জেল এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করার আইনগত বিধান রয়েছে।












