ছয়টি সদ্যজাত শিশুর মৃত্যুর পর লাইসেন্স বাঁচাতে রাজধানীর বেসরকারি আদ–দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেছেন, ‘এই যে আদ–দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে আমার পিছনে। আল্লাহর রহমতে আপনাদের দোয়ায় কোনো টাকার প্রতি লোভ হয় নাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আপনি যা করবেন, আমি পূর্ণ সমর্থন দেব। আমি লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছি। আর জামায়াতের লোকেরা বলে, এটা নাকি বেইনসাফ হইছে। মানে, ওই ব্যাটাও জামায়াত করে। মানুষকে ধোকা দেয়। কয়েকটা টাকা কম নেয়। ছয়টা বাচ্চাকে মেরে ফেলছে। ওরা এখন উনার পক্ষে কথা বলে। কথা বলুক আর যাই করুক, লাইসেন্স বাতিল করছি তো করছিই। এই একটা পানিশমেন্টে সারা বাংলাদেশের প্রাইভেট হসপিটালগুলি ঠিক হয়ে যাবে।’ খবর বিডিনিউজের।
মন্ত্রী বলেন, মানুষকে সেবা দিতে হবে। সস্তার কথা বলে টাকা কম নেয়! আরে কী কম নেয়? ছয়টা মায়ের কোল খালি করছে। কাজেই এগুলো থেকে আপনাদের সাবধান থাকতে হবে। গতকাল শনিবার দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর নিজ তহবিল থেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ঈদের আগের দিন ২৭ মে সকালে মগবাজারে আদ–দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছটফট করতে করতে একে একে ছয় নবজাতক মারা যায়। এরপর ১১ জুন হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পাইলটিং স্কিমের মাধ্যমে রোগীদের সেবা দেওয়া হবে। যেখানে প্রতিটা ঘরে ঘরে আমাদের লোক যাবে। তারা গিয়ে প্রাথমিক সেবা দেওয়ার পর যদি মনে করে হাসপাতালে নিতে হবে তবেই একজন রোগীকে হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিতে হবে। এভাবে দেশব্যাপী চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।









