বাংলাদেশকে ৪০ কোটি ডলার দেবে বিশ্ব ব্যাংক

| বৃহস্পতিবার , ১১ জুন, ২০২৬ at ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ

দেশের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৪০ কোটি ৪০ লাখ ডলার ঋণ ও অনুদান দেবে বিশ্ব ব্যাংক। গতকাল বুধবার সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের মধ্যে এ বিষয়ে ঋণ ও অনুদান চুক্তি সই হওয়ার কথা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (এইচএনপিএসডিপি) আওতায় দুই প্রকল্পে এই অর্থায়ন করবে বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাআইডিএ। চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ঢাকায় বিশ্বব্যাংক অফিসের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমা সই করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চুক্তি অনুযায়ী, বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশকে মোট ২৮৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটসের (এসডিআর) সমপরিমাণ ৩৭ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দেবে। পাশাপাশি ২ কোটি ৫ লাখ ডলার অনুদান দেবে গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি (জিএফএফ) থেকে। নতুন অর্থায়নের আওতায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার কথা তুলে ধরে অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করবে ‘স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবা উন্নয়ন ও সিস্টেম জোরদারকরণ প্রকল্প’। খবর বিডিনিউজের।

প্রকল্পটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো, সারাদেশে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবার মান ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করে স্বাস্থ্য সেবার কার্যকারিতা ও সুযোগ বৃদ্ধি করা। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে ‘ক্লাইমেট রেসপন্সিভ রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ অ্যান্ড পপুলেশন সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেংদেনিং প্রজেক্টস ফর রেজাল্টস’ নামক দ্বিতীয় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ার কথা বলেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকল্পটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো, প্রজনন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সেবার গুণগত সমপ্রসারণ, দক্ষতা ও সমতা বৃদ্ধির জন্য জলবায়ু সহনশীল ব্যবস্থা ও পরিচালন কাঠামোকে শক্তিশালী করা। ঋণ পরিশোধের শর্তের কথা তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৮৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটসের সমপরিমাণ ৩৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার ঋণ পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য হবে।

ঋণের উত্তোলিত অর্থের ওপর বছরে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ এবং ১ দশমিক ২৫ শতাংশ হারে সুদ প্রযোজ্য হবে। এছাড়া, অনুত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি প্রযোজ্য থাকবে। তবে কমিটমেন্ট ফি আরোপের বিধান থাকলেও বিশ্বব্যাংক চলতি অর্থবছরসহ দীর্ঘদিন ধরে এ ফি আদায় থেকে বিরত রয়েছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআগামী বছর চতুর্থ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন বিষয় শিল্প ও সংস্কৃতি
পরবর্তী নিবন্ধকেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে মহানগর যুবদলের আনন্দ মিছিল