ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রাম রেলওয়ে ওভারব্রিজ তথা কালু শাহ ব্রিজের একপাশে বড় একটি ফাটল দেখা দিয়েছে। ব্রিজের উপরের অংশে আরও কয়েকটি স্থানে ফাটল দেখা গেছে। ফাটল প্রকট হলেও এটি সংস্কারে কেউ এগিয়ে আসছে না। সড়কটি নির্মাণের পর থেকে সংস্কারের ছোঁয়াও লাগেনি বলে জানান স্থানীয়রা। ফলে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন যানবাহন।
জানা গেছে, প্রতিদিন মহাসড়ক দিয়ে হাজার হাজার দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে থাকে। তা ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বের হওয়া পণ্যবাহী লরি ও কাভার্ডভ্যানগুলো ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়েই চলাচল করে। এদিকে ব্রিজে ফাটলের কথা সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের এক কর্মকর্তা। তিনি জানান, ব্রিজটি সংস্কারের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা এটি পর্যবেক্ষণ করবেন। এটি সংস্কারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ওভারব্রিজটি ঘুরে দেখা গেছে, সীতাকুণ্ড উপজেলার ১০ নম্বর সলিমপুর ইউনিয়নের কালু শাহ নগর এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম রেলওয়ে ওভারব্রিজের (কালুশাহ ব্রিজ) ঢাকামুখী লেনের সড়কের একটি স্থানের গাইড ওয়ালে বেশ বড় আকারের ফাটল দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয় ব্রিজের উপরের অংশের পাশের কয়েকটি স্থানেও ফাটল দেখা গেছে। এতে যেকোনো সময় ব্রিজ ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শংকা দেখা দিলেও গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে ঝুঁকি নিয়েই হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করছে। এছাড়া ব্রিজটির নিচ দিয়ে পথচারীরা পথ চলার সময় ব্রিজের উপরের দিকে তাকিয়ে থাকেন– ব্রিজের গাইড ওয়াল ভেঙে পরছে কিনা। আতংকে আছেন স্থানীয় ও পথচারীরা। এ ব্রিজের নিচ দিয়ে বয়ে গেছে রেললাইনও। স্থানীয় মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, এখন এ ব্রিজটির গাইড ওয়ালটি আতঙ্কের কারণ হয়ে গেছে। ব্রিজের নিচ দিয়ে মালবাহী ট্রেনের বগি চলাচল করার সময় এটি কেঁপে ওঠে। যে কোনো সময়ে এটি ধসে পড়ে যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি দ্রুত এ ব্রিজের সংস্কার করার।
সূত্রে জানায়, ২০১৩ সালের ২১ নভেম্বর তৎকালীন সরকারের আমলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে ওভারব্রিজ ‘কালুশাহ ব্রিজ’ নামক পরিচিত এ ব্রিজটি উদ্বোধন করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে সড়ক ও জনপদ বিভাগ চট্টগ্রামের উপ–সহকারী প্রকৌশলী আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফয়সালকে গতকাল ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।














