মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের আকাশপথে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর সীমিত পরিসরে চালু থাকা এবং কাতারের দোহা বিমানবন্দর পুরোপুরি বন্ধ থাকায় গতকাল শনিবার শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আসা যাওয়া অন্তত আরও সাতটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। তবে সংকটের মধ্যেও কিছু ফ্লাইট সচল থাকায় ধীরে ধীরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসছে।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি এরাইভাল ফ্লাইট এবং দুবাইগামী একটি ডিপার্চার ফ্লাইট রয়েছে।
এছাড়া ইউএস–বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি এরাইভাল এবং দুটি ডিপার্চার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি এরাইভাল ও মাস্কাটগামী একটি ডিপার্চার ফ্লাইটও বাতিল করা হয়। তবে সব ফ্লাইট বন্ধ ছিল না। শনিবার বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ছয়টি এরাইভাল এবং চারটি ডিপার্চার ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংকটের মধ্যে ধীরে ধীরে কিছু রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, এয়ার এরাবিয়া এবং ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের শারজাহ ও দুবাই চট্টগ্রাম রুটের ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে নিয়মিত হচ্ছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করে চট্টগ্রামের এই বিমানবন্দরে। ওই সময় থেকে শনিবারের সাতটি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।












