লক্ষ্মীপুর–৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির এক কর্মীকে ১৫ লাখ টাকাসহ আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে যাচাই–বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দিয়েছে নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। কমিটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার রাত ৮টার দিকে জেলা শহরের ঝুমুর চত্বর এলাকায় চেকপোস্টে কৃষকদল নেতা বদরুল ইসলাম শ্যামলের গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা পাওয়া যায়। পরে যাচাই–বাছাই শেষে টাকাসহ ওই নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দেননি। শ্যামল জেলা কৃষকদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এবং তিনি শহরের আল–আমিন ফার্মেসির মালিক। আটক গাড়ির সামনে ও পেছনে বিএনপি প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী নির্বাচনি পোস্টার সাঁটানো ছিল। শ্যামল বিএনপি প্রার্থী এ্যানির আপন খালাত ভাই।
নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বরাতে পুলিশ জানায়, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঝুমুর চত্বর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করছিল। কৃষকদল নেতা শ্যামল নির্বাচনকালীন ব্যবহৃত একটি গাড়িতে (ঢাকা মেট্টো–ঘ ১৭–১৩৭৭) যাচ্ছিলেন। চেকপোস্টে গাড়ি তল্লাশি করে ১৫ লাখ টাকা পাওয়া যায়। পরে শ্যামলকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের চার তলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন আধা ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে বিএনপি প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ১৫ লাখ টাকা আমার ভোটকেন্দ্রের এজেন্ট খরচ। প্রশাসন যাচাই–বাছাই করে ছেড়ে দিয়েছে। এতে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটা নিয়ে কেউ কেউ রাজনীতি করছেন, আমি তার প্রতিবাদ করছি।
লক্ষ্মীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল হক বলেন, আটকের পর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে আদালত পরিচালনা করে যাচাই–বাছাই করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এটি নির্বাচনি তহবিলের বৈধ টাকা বলে নিশ্চিত হয়।












