যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার এক মন্তব্যে বলেছেন, ইরানের অপরিশোধিত তেলের পরিবর্তে ভারত ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনতে পারে। রয়টার্স জানায়, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচীর ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ২০১৯ সাল থেকে ইরানি তেল নেওয়া বন্ধ করে দেয় নয়া দিল্লি। খবর বিডিনিউজের।
তখন ভারতের তেল শোধনাগারগুলো ইরানি সরবরাহের স্থান পূরণ করতে মার্কিন তেলের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তারপর ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে পশ্চিমা দেশগুলো মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নিষেধাজ্ঞার চাপে পড়ে মস্কো সমুদ্রপথে সরবরাহ করা তাদের তেলের মূল্য হ্রাস করলে ভারতের তেল শোধনাগারগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরে রাশিয়ার তেলের শীর্ষ ক্রেতা হয়ে দাঁড়ায়। রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধে নয়া দিল্লিকে চাপ দিতে গত বছরের অগাস্টে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প।
চলতি মাসের প্রথমদিকে ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ না করে তাহলে এই শুল্কের হার ফের বাড়ানো হতে পারে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক ভারত রাশিয়ার তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভেনেজুয়েলার তেল কিনতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। শনিবার ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ফ্লোরিডায় তার অবকাশকালীন বাড়িতে যাওয়ার সময় এয়ার ফোর্স ওয়ান উড়োজাহাজে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ইতোমধ্যে এই চুক্তি তৈরি করে ফেলেছি, এই চুক্তির ধারণাটি। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে বিষয়টির ব্যাপারে জ্ঞাত তিনটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র দিল্লিকে বলেছে রাশিয়ার তেল আমদানির বিকল্প হিসেবে তারা শিগগিরই ফের ভেনেজুয়েলার তেল কিনতে শুরু করতে পারে। ভেনেজুয়েলার তেল যেসব দেশ কিনতো গত বছরের মার্চে তাদের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প। এরপর ভারত ভেনেজুয়েলার তেল কেনা বন্ধ করে দেয়।












