প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য গঠন) মনির হায়দার বলেছেন, বাংলাদেশে যেন আর কখনো কোনো অভ্যুত্থানের প্রয়োজন না হয় এই অঙ্গীকারই গণভোটের মূল লক্ষ্য। আর কোনো বাবা–মাকে যেন আর সন্তানের লাশ কাঁধে নিতে না হয়। এই পথ বন্ধ করার জন্যই গণভোটের উদ্যোগ।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী গতকাল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা মূলক প্রচার – প্রচারণা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, গণভোট কোনো হঠাৎ সিদ্ধান্ত নয়। ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ফল। এটি কারও মাথা থেকে হঠাৎ চাপিয়ে দেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা, মতবিনিময় এবং অভিজ্ঞ মহলের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই গণভোটের প্রশ্ন ও কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি কোনো দলীয় স্বার্থের বিষয় নয়; বরং রাষ্ট্রকে একটি টেকসই ও ন্যায়ভিত্তিক পথে নেওয়ার সম্মিলিত প্রয়াস। তাই গণভোটের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট নিজ নিজ নেটওয়ার্কে তুলে ধরার দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে।
ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলামের সভাপতিত্বে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ইয়াহইয়া আখতারের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহিদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেনের বড় ভাই গোলাম কিবরিয়া, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে আহত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শুভ হোসেন বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।
মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ– উপাচার্য প্রফেসর (প্রশাসন) ড. মো. কামাল উদ্দিন স্বাগত বক্তৃতা করেন, এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ– উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন। মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং উপ– উপাচার্যসহ শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। খবর তথ্যবিবরণীর।











