দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য কেন্দ্র হবে চট্টগ্রাম

গোসাইলডাঙ্গায় গণসংযোগকালে খসরু

আজাদী প্রতিবেদন | মঙ্গলবার , ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৬:১৮ পূর্বাহ্ণ

বিএনপি সরকার গঠন করলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য কেন্দ্র হবে বলে দাবি করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। চট্টগ্রাম১১ আসনের ধানের শীষের এ প্রার্থী বলেন, এই অঞ্চল সারা দেশের ট্রেডিং পোস্ট হিসেবে এবং ম্যানুফেক্‌চারিং সেন্টার হিসেবে পরিচালিত হবে। শিল্পকারখানা, রপ্তানিআমদানি, উৎপাদন ও বিতরণ সব কিছুরই কেন্দ্রবিন্দু হবে চট্টগ্রাম। সুতরাং আলাদা করে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণার কোনো দরকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানীতে পরিণত হবে। এর ভৌগোলিক অবস্থান, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরের সুবিধা এটিকে স্বাভাবিকভাবেই একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত করবে। তিনি গতকাল সকালে ৩৬নং গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু বন্দর নিমতলা খালপাড় থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এরপর পূর্ব নিমতলা, পশ্চিম নিমতলা হয়ে সিডিএ ৯ নং ব্রিজ, রোহিঙ্গা পাড়া, হিন্দু পাড়া ৩নং ফকিরহাট, পশ্চিম গোসাইলডাঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। এসময় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, যুবক, নারী, বৃদ্ধ ও সাধারণ ভোটারের ঢল নামে। সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার গণসংযোগে যোগ দেন। আমীর খসরু বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে চট্টগ্রাম বন্দর ও সমুদ্র অঞ্চল আন্তর্জাতিক ট্রেডিং পোর্টে পরিণত হবে। এটি শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। আমাদের আশেপাশে যত দেশ আছে সবগুলোর সাথে এখান থেকে ব্যবসাবাণিজ্য পরিচালিত হবে। এই অঞ্চল হবে সবার ব্যবসাবাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু।

আমীর খসরু বলেন, বিএনপি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে রাজনীতি করে। বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে জনগণের রাজনীতি। আমরা জনগণের কাছ থেকে ক্ষমতা পাই এবং জনগণের সেবা করার জন্যই ক্ষমতায় যাই। বিএনপি কখনো মিথ্যা প্রোপাগান্ডা, ভুয়া প্রতিশ্রুতি বা জনগণকে বিভ্রান্ত করার রাজনীতি করে না।

গণসংযোগকালে আমীর খসরু সাধারণ ভোটারের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বিএনপির দেশ পরিচালনার বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার সুযোগসুবিধা ভোটারদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল, সদস্য মো. মুছা, মো. সবুর, বিএনপি নেতা জাহিদ হাসান, নুরুল আমিন, মো. হারুন, নগর ছাত্রদলের আহবায়ক মো. সাইফুল আলম, যুগ্ম আহবায়ক তরিকুল ইসলাম তানভীর, হুমায়ুন কবির সোহেল, আবু সাঈদ হারুন, মো. শাহজাহান ও মো. নেজাম উদ্দিন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসংস্কার নিয়ে একটি দলের আওয়াজ বন্ধ হয়ে গেছে
পরবর্তী নিবন্ধফটিকছড়িতে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর খালে মিলল তরুণের মরদেহ