জীবন নিয়ে হিসাব চলেনা,জীবন নাকি চলে জীবনের নিয়মে। তাও হিসাব করতে হয় অনেক কিছুই। একটা নতুন বছর আসে, আমরা নতুন পরিকল্পনায় ডেফিনিট ভাবে পজেটিভ পরিকল্পনায় জীবনের ছক আঁকি, বিগত বছরের অপ্রাপ্তিগুলো থেকে, ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুনোর পরিকল্পনা করি। তাইতো বছর শেষে প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তির হিসাব, সফলতা অসফলতার হিসাব করতেই হয়। ২০২৫ শুরু করেছিলাম নতুন পরিকল্পনায়, সেটা ব্যক্তি জীবন, সামাজিক জীবন ও রাজনৈতিক জীবন সব মিলিয়ে।
বছরের মধ্যভাগ অবধি সব ঠিকঠাক, তার পরই ছন্দপতন। একজন বিশেষ মানুষ কে প্রতারিত করেছি ব্যক্তি জীবনে, যা ক্ষমার অযোগ্য। সেই ধারাবাহিকতায় একজন বিশেষ বন্ধু যিনি আমার হৃদয়ের বন্ধু তাঁকে হারিয়েছি। আরেকজন বড় ভাই যিনি ছোট ভাইয়ের স্নেহে আগলে রাখতেন তার কাছ থেকে দূরে সরে যেতে হয়েছে। দায় টা আমার, তারা নিপাট ভালো মানুষ।
বছরের শেষ ভাগে এসে মা হারালাম, জীবন টা এলোমেলো হয়ে গেলো, বাঁচার ইচ্ছাটা উবে গেছে পুরোপুরি। শরীরে দানা বেঁধেছে ভয়াবহ ব্যাধি, কেয়ার করছি না। এগুলো হয়তো প্রায়শ্চিত্তও বটে। ইচ্ছে ছিল দেশে থিতু হবো, নানা জটিলতায় সম্ভব হয়নি। মা গত হওয়ায় আর ইচ্ছেও নেই। তবে প্রাপ্তিও আছে বটে, লন্ডন প্রবাসী নুরুন্নবী ভাইয়ের সাথে ভার্চুয়াল পরিচয়, সেই থেকে বন্ধুত্ব, প্রতিদিন টুকটাক কথা হয়। একে অপরকে সব শেয়ার করি, আনন্দ, বেদনা, পরিকল্পনা। একদিন কথা না হলে মনে হয় কিছু একটা নেই। আরো আছে একজন মাওলানা আমজাদ হোসাইন মুন্না ভাই, তাঁর সাথে সম্পর্কটা পুরানো, মাঝে কিছু চড়াই উৎরাই গেছে, এখন আবার নতুন করে সুসম্পর্ক, সেটা বহাল থাকবে আশা করি। নুরুন্নবী ভাই ও মুন্না ভাইয়ের মতো অথবা খোকন ভাইয়ের মতো ২/৩ জন মানুষ জীবনে থাকলে শত সমস্যায়ও জীবন সুন্দর হতে বাধ্য। বিদায়ী বছরের বিষাদ যেনো আগত বছরে প্রলম্বিত না হয়। সুস্বাগতম ২০২৬।












