‘মানবিক পৃথিবীর উজ্জ্বল মানুষই সুরের মাঙ্গলিক দায়িত্ব নেন। হেনা ইসলাম তেমনই ব্যাক্তিত্ব।’ খড়িমাটির উদ্যোগে গত ২৭ ডিসেম্বর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘আমার গল্প শুনে’ শীর্ষক স্মরণানুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
তারা আরো বলেন, সৃজনশীল ও মননশীল শিল্প–সাহিত্য চর্চায় হেনা ইসলামের অবদান চিরস্মরণীয়। তিনি রাজনীতি করেছেন সমাজ পরিবর্তনের জন্য, তার ছাপ পড়েছে সাহিত্য ও সংগীতে।
আলোচনায় অংশ নেন কবি ও সম্পাদক শিশির দত্ত, কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, কবি আবসার হাবীব, কবি শ্যামলী মজুমদার, নাট্য অভিনেত্রী শিপ্রা চৌধুরী, কবি ও নাট্যজন অভীক ওসমান, সঙ্গীত শিল্পী উমা ইসলাম, রেডিও ব্যক্তিত্ব ফজল হোসেন, শিল্পী নাজমুল আবেদীন চৌধুরী, কবি ওমর কায়সার, সঙ্গীত শিল্পী ও কবি হেনা ইসলামের কন্যা সাবের শবনম (হেমা ইসলাম)। অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন কবি সাদিয়া আফরিন ও শেহরিন জাভেদ।
মনিরুল মনির ও শারমিন নাজুর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য দেন, কবি সাদিয়া আফরিন। হেনা ইসলামের জীবন ও কর্ম নিয়ে তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
তথ্যচিত্র পরিচালনা করেন সাদিয়া আফরিন। এ সময় হেনা ইসলাম রচিত গান পরিবেশন করেন উমা খান, তাপস চৌধুরী, পান্থ কানাই, হেমা ইসলাম, উপল ইসলাম, পিজু, রায়হান ও শোভন। গানগুলোর মধ্যে রয়েছে : ‘কলেজের করিডোর’, ‘মনে করো’, ‘এখন আমি সুখে আছি’, ‘ফরেস্ট হিল’, ‘কয়েকটা ফুল’, ‘দিন যায় রাত যায়’, ‘ফুল দেখেছি’, ‘চাঁদ এসে উঁকি’, ‘মন পবনের নাও’, ‘তোমাকে দেখার আগে, ‘তুমি দুঃখ দিয়েছ বলে’, ‘কষ্টি পাথর’ ‘আমার সাজানো’, ‘আমি সাম্পানে বাঁধিবো ঘর’, ‘সুরের সভা’, ‘সারা ঘর জুড়ে’, ‘তোরে মনের মতো’, ‘আমার গল্প শুনে’। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












