স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানির কর্মকর্তাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আজাদী প্রতিবেদন | মঙ্গলবার , ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ at ৬:১৯ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের (এসএওসিএল) আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। তারা হলেনএসএওসিএল কর্মকর্তা (এইচ আর) আব্দুল্লাহ আল মামুন, ঢাকার সাভার ট্রানজিট অফিসের উপব্যবস্থাপক (হিসাব) ও ডিপো ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, কুমিল্লার তিতাসের আজহার টেলিকমের স্বত্বাধিকারী মো. সোহেল রানা, নরসিংদী সদরের মেসার্স মদিনা কোয়ালিটির স্বত্বাধিকারী মো. মাসুদ মিয়া ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। গতকাল দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক (মানিলন্ডারিং) মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম১ এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, এসএওসিএল এর ২০১৮১৯ অর্থ বছরের এলসির বিপরীতে চেক ইস্যু এবং পেমেন্ট ভাউচারে উল্লেখিত প্রকৃত সরবরাহকারীর পরিবর্তে ভুয়া প্রতিষ্ঠান কর্তৃক চেকের অর্থ উত্তোলন করে ২ কোটি ৫৫ লাখ ১২ হাজার ২১৪ টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। এসএওসিএল এর ব্যাংক বই, চেক রেজিস্টার, পেমেন্ট ভাউচার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ক্যাশবই পর্যলোচনায় দেখা যায়, কোন প্রকার দরপত্র আহ্বান ব্যতিরেকে উৎপাদন সহায়ক পণ্য এ্যাডেটিভস ও এইচ আর প্লেট ক্রয় করা হয়েছে। ভাউচার নিরীক্ষায় প্রতীয়মান হয়, এসএওসিএল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফাষ্ট এন্টারপ্রাইজ ও এনজে ও এনজে প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এ্যাডেটিভস, জিপি মোনাল এপ্যাক প্রাইভেট লিমিটেড থেকে লুব বেইজ অয়েল এবং স্টিড ফার্স্ট ট্রেডার্স থেকে এইচ আর প্লেট এলসি’র মাধ্যমে আমদানি করা হয়। অধিকাংশ ভাউচারে কোন এলসি নম্বর উল্লেখ করা হয়নি। এলসি সংক্রান্ত কাজে ব্যাংকিং চ্যানেলে (ব্যাংক টু ব্যাংক) লেনদেন হয়, ক্রেতার ব্যাংক হিসাব থেকে বিক্রেতার ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর হয়। সুতরাং এ্যাডেটিভস ও এইচআর প্লেট ক্রয় বাবদ এলসি কাজে বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে চেক ইস্যু করার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। এজাহারে আরো বলা হয়, মূলত প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে বিভিন্নভাবে এসএওসিএল এর হিসাব থেকে ২ কোটি ৫৫ লাখ ১২ হাজার ২১৪ টাকা সরিয়ে স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়ছে। যা দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম১ এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ দৈনিক আজাদীকে মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ১০ দলীয় জোট চট্টগ্রাম-৫ আসন খেলাফত মজলিসকে ছেড়ে দিয়েছে
পরবর্তী নিবন্ধতাহেরের ব্যাংকে আছে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬২ টাকা