নগরে আজ রোববার সকালে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে দিনের বেলা তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। অর্থাৎ গতকালের মত আজও অনুভূত হবে শীত।
গতকাল নগরে সর্বনিম্ন্ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে শূন্য দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নগরের চেয়ে গ্রামে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভব করছেন তারা। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা বসির আহমেদ হাওলাদার জানান, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। গত মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ও কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বিরাজ করতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে ও কম দৃষ্টিসীমার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীত জেঁকে বসতে শুরু করেছে। কনকনে ঠান্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশা স্বাভাবিক জনজীবনে প্রভাব ফেলেছে। গতকাল দেশের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে। তবে আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গতকাল শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী কয়েকদিনে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে দেশের অনেক জায়গায় ঠান্ডার অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে। এই কয়েকদিনে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবওহাওয়াওবিদ আফরোজা সুলতানা বলেন, শনি, রবি ও সোমবার মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে।
তিনি জানান, সাত জেলার ওপর দিয়ে শুক্রবার বয়ে যাওয়া মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহটি বইছে না। তবে কুয়াশার কারণে শীত বেশি মনে হচ্ছে। এর আগে শুক্রবার আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছিল, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ এবং নীলফামারী জেলায় বয়ে যাচ্ছে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।
এদিকে শাহজালাল বিমানবন্দরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল সকালে ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে ব্যর্থ হয়ে কলকাতা, ব্যাংকক ও চট্টগ্রামে অবতরণ করেছে আটটি ফ্লাইট। এতে বলা হয়, ঘন কুয়াশা পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে এদিন কয়েকটি ফ্লাইটকে বিভিন্ন বিমানবন্দরে ‘ডাইভার্ট’ করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে, চারটি ফ্লাইট কলকাতা বিমানবন্দরে এবং একটি ফ্লাইট ব্যাংকক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।












