সমাজ–সংস্কৃতি–রাষ্ট্র–রাজনীতি–শিল্প–সাহিত্য–বিজ্ঞান পরষ্পর সম্পর্কিত। আর এর মূলভিত্তি হচ্ছে জ্ঞান। জ্ঞানার্জন ব্যতিত এর কোনোটিতেই সাফল্য লাভ সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি দর্শনের পাঠও অত্যাবশ্যক। এগুলোর উৎসমূল হচ্ছে ধ্রুপদী সাহিত্য। ফলে আর্থসামাজিক উন্নয়নে ধ্রুপদী সাহিত্যের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। সম্প্রতি চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির গ্যালারী হলে মৈনাক পাঠচক্র আয়োজিত ‘আর্থসামাজিক উন্নয়নে ধ্রুপদী সাহিত্যের অনিবার্যতা’ শীর্ষক সেমিনারের মূল আলোচক গবেষক ইমদাদুল হক এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, মানব কল্যাণ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ধ্রুপদী সাহিত্যের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। তাই যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা থেকে বেরিয়ে এর মৌলিক চর্চা ও অনুধাবনের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর বক্তব্যের পর ছিল শ্রোতাদের প্রশ্নোত্তর পর্ব।
শুরুতে বক্তব্য রাখেন চবি বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. শেখ সাদী। চবি উপ–উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন প্রমা আবৃত্তি সংগঠনের সভাপতি রাশেদ হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মৈনাক পাঠচক্রের সমম্বয়ক আবু হানিফ নোমান। সেমিনারে উপস্থাপিত বিষয় বেশ বিস্তৃত ও নানা অনুষঙ্গ ধারণ করেছে; তাই এই ব্যাপারে বিশদ ব্যাখ্যাসহ আলোচনা করার সময় পাওয়া গেলে হয়তো এ প্রসঙ্গে শ্রোতাদের মনোযোগ আরো আকর্ষিত হতো মর্মে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন বোধন আবৃত্তি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রণব চৌধুরী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।