ফটিকছড়ির নানুপুর ইউনিয়নের তোফায়েল আহমেদ সড়কের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ সময় উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে প্রচুর পরিমাণে সড়ক, সেতু, কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব নির্মাণে যেন প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় মানুষ যাতে এসব থেকে উপকৃত হয় তার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। রাজধানীর সঙ্গে দেশের জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা করেছে সরকার। যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নয়নে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার শুধু সড়ক তৈরি করেনি, সেই সড়ক নিরাপদ করারও চেষ্টা করেছে। কোথায় কোথায় সড়ক দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে, কেন বেশি হচ্ছে সেসব নজর রাখছে সরকার। মহাসড়কের যেখানে যেখানে দুর্ঘটনা হয়, সেই জায়গাগুলো নিরাপদ করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে সড়কের বাঁক কমানো হয়েছে।
তিনি বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ফটিকছড়িতে দুইটি পৌরসভা, ফায়ার সার্ভিস, ভূজপুর থানা, রাবার ডেম, ৮টি ব্রিজ, মাইজভান্ডার–নাজিরহাট সড়ক, স্থলবন্দর, বিভিন্ন রাস্তা নির্মাণসহ অনেক উন্নয়ন করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতা এনে এই উন্নয়ন অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে হবে এবং শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকলকে কাজ করতে হবে।
নানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আজমের সভাপতিত্বে ও আজম উদ্দীন শামীমের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাজিরহাট পৌরসভার মেয়র এ কে জাহেদ চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক কাজী মো. আইয়ুব, এটিএম শহীদুল আলম, মাসুদ পারভেজ, মোরশেদুল আলম, মো. হাসান, মু. আলাউদ্দিন, মো. জাহাঙ্গীর, বাবর আলী রায়হান, মো. সেকান্দর, মো. মইনু উদ্দীন, মো. জসিম উদ্দিন, মো. রমজান আলী, হাজী মো. ইলিয়াস, কামাল পাশা, মো. আলমগীর, মো. শহীদ, শোয়েবুল ইসলাম, ইশতিয়াক বিন আসিফ, ইকবাল সরোয়ার সাগর, মো. মুজিবুর রহমান, জহুরুল ইসলাম, মো. নাসির বাবুল প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।