বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবির সোর্স জহুর আলম হত্যা ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় ১১ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল সোমবার এ মামলা দায়ের করা হয় ঘটনার ২ দিন পর। যার বাদী নিহতের স্ত্রী মমতাজ বেগম। এ মামলায় পুলিশ সকালেই–৪ আসামীকে খুনের সাথে ব্যবহৃত সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন রোহিঙ্গা আমান উল্লাহ (৩৫), পিতা কালু, জাহাঙ্গীর আলম (৩২) পিতা. হারুনুর রশিদ, মোহাম্মদ ইসমাঈল (২৮) পিতা. ছৈয়দ আলম। তারা ঘুমধুম ১ নম্বর ওয়ার্ডের খিজারীঘোনা গ্রামের বাসিন্দা। জমির উদ্দিন (২৮) পিতা. নুরুল ইসলাম সে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের জলপাইতলী গ্রামের বাসিন্দা। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের মধ্যে জমির উদ্দিন ও মো. ইসমাঈল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। বিষয়টি পুলিশ এ প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেন। নিহতের স্ত্রী মমতাজ বেগম বলেন,তার স্বামী মূলত বিজিবির সোর্স। পাশাপাশি টমটমও চালাতেন তিনি। মামলার আসামীরা সীমান্ত চোরাকারবারী। তিনি আরো জানান, আটক আসামীদের মধ্যে জমির ও ইসমাঈল গভীর রাতে ফোন করে তার স্বামীকে ঘুম থেকে তুলে ডেকে নিয়ে যায় সীমান্তের ৩৩ নম্বর পিলার এলাকায়। সেখানেই তাকে মুখে কাপড় ঢুকিয়ে লাঠি ও রড দিয়ে উপর্যপুরি আঘাত করে। বিজিবির সহায়তায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
থাকার অফিসার ইনচার্জ টানটু সাহা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যে পুলিশ ৪ আসামীকে গ্রেপ্তার করে। পলাতক আসামীদেরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।












