প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া দৈনিক আজাদীকে বলেছেন, চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে তিন বছরের বেশি সময় হলো। কিন্তু এখনো সেই অর্থে কাজের অগ্রগতি হয়নি। এখন জোয়ারের পানির কারণে নগরীর নিচু এলাকাগুলো তলিয়ে যাচ্ছে। জোয়ারের পানির ঠেকানোর জন্য কি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে? শুধুমাত্র গেট স্থাপনই তো সমাধান না। আমাদের যে সকল নদী খাল আছে সেগুলো ড্রেজিং করে পানির ধারণক্ষমতা বাড়ানো হলে অন্তত জোয়ারের পানি এই পরিমাণ বাড়ত না।
তিনি বলেন, আমরা ১৯৯৫ সালের মাস্টার প্ল্যানে কর্ণফুলী নদী ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের বলেছি। এখন পর্যন্ত সেই ক্যাপিটাল ড্রেজিং করা হয়নি। এখন যারা কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করছেন, তারা কী চিন্তা করছেন আমি জানি না। বলা হচ্ছে, কর্ণফুলীতে তলদেশের পলিথিনের কারণে ড্রেজিংয়ে সমস্যা হচ্ছে। বিষয়গুলো আগে থেকে কেন বিবেচনা করা হলো না। আর পলিথিন তোলার জন্য বিশ্বের মধ্যে কোনো প্রযুক্তি নেই। কোন পদ্ধতিতে এসব পলিথিনসহ ড্রেজিং করতে হবে, সেটি তো চিন্তা করা উচিত।
সুভাষ বড়ুয়া বলেন, নদী খালের অনেক জায়গা অবৈধ দখলদাররা দখল করে আছে। সেইসব উচ্ছেদ করতে গেলে দেখা যাচ্ছে তারা মামলা করে দিচ্ছে। আমার কথা হচ্ছে, যেসব কাজ করতে তেমন বাধা নাই, সেগুলো তো আমরা করতে পারি। বিশেষ করে নদী ও খাল ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পানির ধারণক্ষমতা বাড়াতে পারি। জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে পানি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।