পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), চট্টগ্রাম জেলার একটি বিশেষ টিম গত ১৫ জুন হাটহাজারী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোটর সাইকেল চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার এবং একটি চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মোঃ সাঈদ (২০), মোঃ ফয়সাল করিম (১৯), ও মোঃ ইসমাইল হোসেন ওরফে বাবু (৩০)। পরে গ্রেপ্তারকৃত আসামী মো. ইসমাইল হোসেন ওরফে বাবুর দেখানো মতে চুরি যাওয়া টিভিএস মোটর সাইকেল উদ্ধার করে।
ঘটনার বিবরণে পিবিআই, জেলার এসপি নাজমুল হাসান জানান, মামলার বাদী মোঃ সিরাজুল মোস্তফা তুহিন একজন মোটর সাইকেল রাইডার। তিনি পাঠাও ও উবারের মাধ্যমে মোটর সাইকেলে যাত্রী পরিবহন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামী মোঃ সাঈদ (২০), ঘটনার এক সপ্তাহ পূর্বে বাদীর সাথে সখ্য গড়ে তুলে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি বেলা পৌনে তিনটার দিকে সাঈদ বাদী মোঃ সিরাজুল মোস্তফা তুহিনকে ফোন করে মোটর সাইকেল চালানো শিখবে মর্মে মোটরসাইকেল সহ অঙিজেন মোড়ে যেতে বলে। সাঈদের কথামতো বাদী ওই দিন সোয়া তিনটার দিকে অঙিজেন এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ে এলে সাঈদ বাদীকে বলে যে, অনন্যা আবাসিক এলাকায় গিয়ে মোটরসাইকেল চালানো শিখবে। সাঈদ বাদীসহ অনন্যা আবাসিক এলাকায় যায় এবং মোটর সাইকেল চালানো শিখাতে বলে। অনন্যা আবাসিকে পৌঁছে সাঈদ মোটর সাইকেলের সামনে বসে এবং বাদীকে পেছনে বসায়। একপর্যায়ে বাদীর ডান পায়ের স্যান্ডেল খুলে মাটিতে পড়ে গেলে তিনি তার স্যান্ডেল কুড়িয়ে আনতে মোটর সাইকেল থেকে নামেন। তখন আসামী সাঈদ বাদীর মোটর সাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় বাদী সিরাজুল মোস্তফা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলা তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।
পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার এসআই (নিঃ) এসএম রেজাউল হাসান পাটোয়ারীকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তিনি এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে আসামীদের শনাক্ত করে এবং অভিযান চালায়। ঘটনার সাথে জড়িত ও সংঘবদ্ধ চোর চক্রের পলাতক অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে এবং মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।












