স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, তিন পার্বত্য জেলার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় তিন জেলায় ৩টি এপিবিএন ব্যাটালিয়ান স্থাপন করা হবে। এর হেডকোয়ার্টার হবে রাঙামাটি। তিনি বলেন, পাহাড়ে সেনাবাহিনী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দীর্ঘকাল ধরে কাজ করে যাচ্ছেন তাদের সাথে আলাপ-আলোচনা করেই এবং সন্তু লারমার (দাদার) সাথে আমাদের যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি হয়েছিল, সেই চুক্তির শর্ত অনুসারে সেনাবাহিনীর পরিত্যক্ত ক্যাম্পগুলো আছে সেগুলোকে আমরা ধীরে ধীরে পুলিশ ক্যাম্পে মোতায়েন করতে যাচ্ছি। যাতে করে ঐ এলাকার শান্তি বজায় থাকে।
তিনি বলেন, লক্ষ্য একটাই আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে যাতে শান্তির সুবাতাস বইতে পারে। আপনারা এও জানেন আমরা জলদস্যু মুক্ত করেছি, চরমপন্থী মুক্ত করেছি। সন্তু লারমা বৈঠকে ভূমি কমিশন নিয়ে আলোচনা করেছেন। আমরা সবগুলোই ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করবো এটা নিয়ে তার সাথে কথা হয়েছে। পরিত্যক্ত ক্যাম্পগুলোতে পুলিশ মোতায়েন সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশই যথেষ্ট। আমাদের পুলিশ এখন অনেক সক্ষম। পুলিশ না হলে প্রয়োজনে র্যাব আসবে।
গতকাল বুধবার রাতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে তিন পার্বত্য জেলার আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এসময় পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশেসিং এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা), শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি, দীপংকর তালুকদার এমপি, বাসন্তী চাকমা এমপি, মন্ত্রিপরিষদের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, চট্টগ্রাম ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. সাইফুল আবেদীন, ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী, আইজিপি বেনজীর আহমেদ, পার্বত্য সচিব মো. হামিদা বেগম, র্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ মামুনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।












