সাতকানিয়ার সোনাকানিয়ায় আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সেলিম উদ্দিন চৌধুরীর প্রচার বহরে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হামলাকারীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলসহ ২০টির বেশি গাড়ি ভাঙচুর করেছে।
এসময় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সেলিম উদ্দিন চৌধুরী ও তার কর্মী-সমর্থকসহ ১৫ জনের বেশি আহত হয়।
আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সোনাকানিয়া ইউনিয়নের বদর সিকদারপাড়া পূর্ব গারাংগিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সেলিম উদ্দিন চৌধুরী আজ সোমবার রাত ১০টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো জানান, আজ গারাংগিয়া মাদ্রাসা মসজিদে আছরের নামাজের পর জিয়ারত শেষে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। সন্ধ্যার দিকে প্রচার বহর সোনাকানিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বদর সিকদারপাড়া পূর্ব গারাংগিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পৌঁছলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালায়।
সময় তারা সেলিম উদ্দিনের প্রচার বহরে থাকা ৮টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ১২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ভাঙচুর শেষে কয়েকটি গাড়ি পুকুরে ফেলে দেয় হামলাকারীরা।
এসময় হামলাকারীদের লাঠিসোটার আঘাতে সেলিম উদ্দিন, তার ছোট ভাই জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মকসুদুর রহমান, আমানুল হক, হোসাইন মোহাম্মদ, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, আবু সাঈদ হাসান, আব্দুল গফুর সহ ১৫ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে, আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, “আমার নেতাকর্মীরা কোনো ধরনের হামলা করেনি। বরং স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিম উদ্দিন চৌধুরীর লোকজন আমার কর্মী-সমর্থকদের মারধর করেছে।”
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আবদুল জলিল বলেন, “দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা হয়েছে বলে শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো থানায় কেউ কোনো ধরনের অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”