চিকিৎসার সময় রোগীর মৃত্যু হলে নিজ ঘর কাম চেম্বার তালাবদ্ধ করে পালিয়ে গেল উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পের কথিত পল্লী চিকিৎসক দম্পতি। পরে ঘরের তালা ভেঙে রোগীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ।
জানা গেছে, উখিয়ার কুতুপালং ১৭ নম্বর ক্যাম্পের এ-ব্লকের রোহিঙ্গা রোস্তম আলীর স্ত্রী শাহিদা খাতুন (৫৩) গত বুধবার সকাল ৮টায় এলার্জি জনিত রোগের চিকিৎসা করাতে একই ব্লকের পল্লী চিকিৎসক মো. আলমের কাছে যায়। সারাদিন কেটে যাওয়ার পর এদিন রাত ৮টায়ও ঘরে না ফিরলে স্বামী ও আত্মীয়-স্বজনরা শাহিদার খোঁজাখুঁজি শুরু করে। তারা ডাক্তার আলমের ঘরে গেলে বাইরে তালাবদ্ধ দেখতে পায়। স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা তালা ভেঙে ডাক্তারের ঘরে ঢুকে শাহিদার মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
উখিয়াস্থ ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক মো. নাইমুল হক বলেন, উখিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রস্তুত করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, পল্লী চিকিৎসক মো. আলম ও তার স্ত্রী পল্লী চিকিৎসক হাবিয়া বেগমের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ঐ পল্লী চিকিৎসক দম্পতি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে।












