বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগে অবশেষে আর বাধা রইল না। এনটিআরসিএর জারি করা তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থগিত করে দেওয়া আদেশ রিকল ও মডিফিকেশন করা হয়েছে। অর্থাৎ এখন ওই নিয়োগের কার্যক্রম চালানো যাবে। তবে এর আগে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সনদধারীদের নিয়োগের জন্য চার সপ্তাহের মধ্যে সুপারিশ করতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। গতকাল সোমবার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। হাইকোর্টের আগের দেওয়া রায় সুপারিশের রায় বাস্তবায়ন না করায় এনটিআরসিএর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেওয়া হয়। খবর বাংলানিউজের।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। রিট আবেদনকারী শিক্ষকদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন মো. হানিফ (ফরহাদ)। পরে খুরশীদ আলম খান বলেন, আদালতে আবেদনকারী প্রায় ২৫০০ শিক্ষককে চার সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চার সপ্তাহ পর আবেদনটি ফের কার্যতালিকায় আসবে। এছাড়া এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত ৩০ মার্চ এনটিআরসিএর জারি করা তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থগিত করে দেওয়া আদেশ রিকল ও মডিফিকেশন করেছেন। অর্থাৎ এখন ওই নিয়োগের কার্যক্রম চালানো যাবে। আইনজীবী ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন মো. হানিফ (ফরহাদ) বলেন, ২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট একটি রায় দিয়েছেন। ওই রায়ে কয়েক দফা নির্দেশনা ছিল। তার মধ্যে একটি ছিল সম্মিলিত মেধা তালিকা অনুযায়ী রিট আবেদনকারীদের জন্য সুপারিশ করবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।